সিরিয়ায় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অঞ্চল চায় জার্মানি | বিশ্ব | DW | 22.10.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

সিরিয়ায় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অঞ্চল চায় জার্মানি

সিরিয়ায় ইউরোপের শক্ত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷ ডয়চে ভেলেকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, তুরস্ক ও রাশিয়াকে সাথে নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠন করা যেতে পারে৷ 

তুরস্ক ও রাশিয়াকে সাথে নিয়ে সিরিয়ায় একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠন করার সুপারিশ দিয়েছেন জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রাম্প কারেনবাউয়ার৷ যার মূল লক্ষ্য হবে সন্ত্রাস এবং ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে আবারও লড়াই শুরু করা৷ ডয়চে ভেলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘এর মাধ্যমে এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে যা সেখানকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন আবারও নিশ্চিত করবে এবং যারা বিতাড়িত হয়েছে তারাও স্বেচ্ছায় ফিরে আসতে পারবে৷''  

সুপারিশটি সম্পর্কে জার্মানি চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল অবগত আছেন বলেও জানান দেশটির ক্ষমতাসীন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাট দলের এই নেতা৷ তবে যেকোন সিদ্ধান্তই জার্মান মন্ত্রীসভা এবং সংসদ বুন্ডেসটাগের মাধ্যমে নেয়া হবে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি৷

Annegret Kramp-Karrenbauer im Interview zu Sicherheitszone in Syrien

জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রাম্প কারেনবাউয়ার

কারেনবাউয়ার বলেন, ‘‘ইউরোপ এখানে শুধু দর্শকের ভূমিকায় থাকতে পারে না৷ আমাদেরকে অবশ্যই নিজেদের সুপারিশ ও পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে হবে৷'' 

গত ৯ অক্টোবর সিরিয়ার উত্তর পূর্বের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে কুর্দি বিদ্রোহীদের দমনে অভিযান শুরু করে তুরস্ক৷ এর ফলে সেখানে বন্দী ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিরা পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে৷ যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে জার্মানি ও ইউরোপ৷

কারেনবাউয়ার বলেন, উত্তরপূর্ব সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি ইউরোপ এবং জার্মানির নিরাপত্তা স্বার্থের সঙ্গে জড়িত৷ যে কারণে এই বিষয়ে ইউরোপের একটি শক্ত পদক্ষেপ জরুরি৷ তিনি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠনের আলোচনায় তুরস্ক ও রাশিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষপাতী৷ বলেন, কেউ পছন্দ করুক আর না করুক সিরিয়ায় রাশিয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পক্ষ৷ এজন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে সিরিয়া সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু হতে পারে বলে জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷

ম্যাক্সিমিলান কসচিক, অস্টিন ডেভিস, এফএস/ কেএম 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন