সিরিয়ার মিলিটারি একাডেমিতে ড্রোন-হামলা, মৃত ১১৬
৬ অক্টোবর ২০২৩
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রচুর বেসামরিক মানুষও মারা গেছেন। এই একাডেমিতে একটি ব্য়াচের শিক্ষা-শেষের অনুষ্ঠান হচ্ছিল। সেখানে তাই শিক্ষাপ্রাপ্তদের পরিবারের মানুষরাও ছিলেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অবসারভেটারি জানিয়েছে, ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ৩০ জন বেসামরিক মানুষ। সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৮৯ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ২৩৯ জন। তবে তারা এটাও জানিয়েছে, তারা যে মৃতের সংখ্যা দিয়েছে তা চূড়ান্ত নয়।
বিস্ফোরক-ভর্তি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়।
জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল আন্তেনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, তিনি এই ঘটনায় খুবই বিচলিত বোধ করছেন।
এখনো পর্যন্ত যা জানা গেছে
সরকারি সংবাদসংস্থা সানা জানিয়েছে, মিলিটারি একাডেমির তরফে জানানো হয়েছে, অফিসারদের শিক্ষা-শেষের অনুষ্ঠানে এই হামলা হয়।
এখনো পর্যন্ত কেউ এই আক্রমণের দায় স্বীকার করেনি। তবে হিউম্যান রাইটস অবসারভেটারি জানিয়েছে, আইএসের সঙ্গে যুক্ত তাহরির-আল-শাম এই আক্রমণের পিছনে থাকতে পারে।
সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ''অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যাওয়ার পর সবাই একাডেমির চত্বরে এসে জড়ো হয়েছিলেন। তখনই ড্রোন-হামলা হয়। কোথা থেকে এই ড্রোন এসেছিল তা বলতে পারব না। হামলার পরেই প্রচুর মানুষের দেহ ওই চত্বরে পড়েছিল।''
সেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ''এই কাপুরুষোচিত আক্রমণের উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে।''
তুরস্কের ড্রোন ধবংস করলো মার্কিন সেনা
উত্তরপশ্চিম সিরিয়ায় তুরস্কের একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে মার্কিন সেনা। এই ড্রোনটি সেনার খুব কাছে এসে গিয়েছিল বলে পেন্টাগন জানিয়েছে। ড্রোনটি রেস্ট্রিকটেড এলাকায় ঢুকে পড়েছিল।
অ্যামেরিকার এফ ১৬ যুদ্ধবিমান এই ড্রোনটিকে ধ্বংস করে। এই ড্রোন থেকে মার্কিন সেনার উপর হামলা চালানো হয়নি। কিন্তু এটা মার্কিন সেনার কাছে এসে যাওয়ায় তা বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে আত্মরক্ষার স্বার্থে মার্কিন সেনা এই কাজ করেছে বলে অ্যামেরিকা জানিয়েছে।
সিরিয়ায় নয়শ জন মার্কিন সেনা সদস্য আছে। আইএসের মোকাবিলা করার জন্য তারা সেখানে আছে বলে অ্যামেরিকার দাবি।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই ড্রোনটি তুরস্কের সেনার ছিল না। তবে কাদের ড্রোন ছিল, তারা তা জানায়নি।
জিএইচ/এসজি(এপি, এএফপি, রয়টার্স)