সিরিয়ার আরও গভীরে তুরস্কের অভিযান | বিশ্ব | DW | 29.08.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

সিরিয়ার আরও গভীরে তুরস্কের অভিযান

শুধু সীমান্ত এলাকা আইএসমুক্ত করেই তুরস্কের সেনাবাহিনী ও তাদের সমর্থিত সিরীয় বিদ্রোহীরা সন্তুষ্ট হয়নি৷ সিরিয়ার ভূখণ্ডের আরও গভীরে প্রবেশ করছে এই জোট৷ কুর্দি বিদ্রোহীদের আরও কোণঠাসা করাই তাদের উদ্দেশ্য৷

সিরিয়াকে ঘিরে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলির স্বার্থের সংঘাত আবার প্রকাশ্যে চলে এলো৷ তুরস্ক সমর্থিত সিরীয় বিদ্রোহীরা তথাকথিত ইসলামিক স্টেট-এর দখল থেকে জারাবালুস শহর মুক্ত করেই ক্ষান্ত হলো না৷ কুর্দিদের নেতৃত্বে ডিএফএস জোটের হাত থেকে একের পর এক এলাকা ছিনিয়ে নিচ্ছে তারা৷

অথচ এই জোটের মূল সমর্থক অ্যামেরিকা, যে দেশ আবার তুরস্কের সহযোগী৷ আইএস-এর বিরুদ্ধে সংগ্রামে ডিএফএস যথেষ্ট সাফল্য দেখিয়ে আসছে৷ সামরিক জোট ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যে সিরিয়ায় তুরস্কের পারস্পরিক সহযোগিতা করার কথা৷ বর্তমান অবস্থায় অ্যামেরিকা অবশ্য কুর্দি বিদ্রোহীদের ইউফ্রেটিস নদীর ওপারে চলে যাবার পরামর্শ দিয়েছে৷

আইএস বিদায় নেবার পর সিরিয়ার উত্তরে কুর্দি বিদ্রোহীরা যাতে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে, তুরস্কের সামরিক অভিযান সম্ভবত সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷ ফলে কোণঠাসা কুর্দি যোদ্ধারা মানবিজ শহরের উপকণ্ঠে পিছিয়ে এসেছে৷ তুরস্কের আন্দালু সংবাদ সংস্থার সূত্র অনুযায়ী, সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন কুর্দি যোদ্ধা নিহত হয়েছে৷ সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস-এর দাবি, তুরস্কের সামরিক অভিযানের ফলে শুধু রবিবারই ৩৫ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ তুরস্ক অবশ্য এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি৷

গোটা এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব বর্তমান সংঘর্ষের মূল কারণ বলে ধরে নিচ্ছেন পর্যবেক্ষকরা৷ দীর্ঘদিন ধরে অভিযান চালিয়ে কুর্দি বিদ্রোহীরা সীমান্ত এলাকা ও মানবিজ শহর দখল করতে পেরেছিল৷ মার্কিন বোমারু বিমান এ কাজে তাদের সাহায্য করেছে৷ তুরস্কের ভূখণ্ড থেকে আইএস-এর রসদ সংগ্রহের পথ বন্ধ করাই ছিল এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য৷

অন্যদিকে তুরস্ক ও তাদের সমর্থিত সিরীয় বিদ্রোহীদের কাছে কুর্দিদের এই সাফল্য আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ মানবিজের পর আল-বাব শহর দখল করতে পারলে কুর্দিরা নিজস্ব এলাকাগুলির মধ্যে এক করিডোর বা সংযোগ পথ তৈরি করতে পারতো৷ সে ক্ষেত্রে সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্তে কুর্দিদের আধিপত্য জোরালো হয়ে উঠতো৷ সে ক্ষেত্রে তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রয়াস তুরস্কের মধ্যে কুর্দিদের উদ্বুদ্ধ করতে পারতো৷ সিরীয় বিদ্রোহীরা কুর্দিদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগও করে থাকে৷

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন