সিটি নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন? | বিশ্ব | DW | 01.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

সিটি নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন?

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে এবার সব রাজনৈতিক দলই অংশ নিচ্ছে৷ আওয়ামী লীগ বিএনপিতো আছেই, সরকারের শরীক দল জাতীয় পার্টিও আলাদা প্রার্থী দিয়েছে৷

Bangladesch Dhaka Wahlen (DW/A. Islam)

ফাইল ফটো

দক্ষিণে সাঈদ খোকনকে বাদ দিয়ে ফজলে নূর তাপসকে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী করায় নির্বাচন এখন আলোচনায় এসেছে৷ কিন্তু একটি প্রশ্নই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে৷ ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন তো?

মেয়র পদে ঢাকা উত্তরে মনোনয়ন জমা দিয়েছের সাতজন৷ কাউন্সিলর পদে ৩৭৪ এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর (নারী) পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৮৯ জন৷

উত্তরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম, বিএনপির তাবিথ আউয়াল, জাতীয় পার্টির প্রার্থী জি এম কামরুল ইসলাম৷ এছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) আহমেদ সাজেদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) শাহীন খান প্রার্থী হয়েছেন৷

দক্ষিণেও মেয়র পদে সাত জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন৷ ৪৫৪ জন কাউন্সিলর পদে এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে (নারী) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯৯ জন৷

অডিও শুনুন 02:28

‘ভোটারদের ইচ্ছার উপরে এখন আর ভোট দেয়া নির্ভর করে না’

মেয়র পদে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস, বিএনপির ইশরাক হোসেন ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মিলন প্রার্থী হয়েছেন৷
এছাড়া গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আক্তার উজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির বাহারানে সুলতান বাহার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন৷

আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এরইমধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে৷ তারা মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন বলে অভিযোগ৷ সর্বোচ্চ পাঁচজনকে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার বিধান থাকলেও তা তারা মানেননি৷ গাড়িবহর নিয়ে মহড়া করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা৷ বিএনপির দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ আছে৷

৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে এর আগে পর্যালোচনা করেছে টিআইবি৷ তার আলোকে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ওই নির্বাচনের কারণে ভোটারদের একটা আশঙ্কা আছে যে তারা ভোট দিতে পারবেন কিনা৷ কারণ ভোটারদের ইচ্ছার উপরে ভোট দেয়া এখন আর নির্ভর করে না৷ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঠিক ভূমিকা এবং নির্বাচনে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছার ওপর ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেয়ার বিষয়টি নির্ভর করে৷ এই বিষয়গুলো ঠিক না থাকলে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আরেকটি মহড়া হতে পারে সিটি নির্বাচন৷''

অডিও শুনুন 01:07

‘এরইমধ্যে দু'জনকে তো অভিনন্দন জানানো শুরু হয়ে গেছে’

গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি ২০১৫ সালের সিটি নির্বাচনে ঢাকা উত্তরে প্রার্থী হয়েছিলেন৷ তিনি এবার প্রার্থী হননি এবং নির্বাচন বর্জন করেছেন৷ তার কথা, ‘‘নির্বাচন করে কী হবে? এরইমধ্যে দু'জনকে তো অভিনন্দন জানানো শুরু হয়ে গেছে৷ তাহলে পূর্বনির্ধারিত ফলের এই নির্বাচনে গিয়ে লাভ কী? ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের নামে যে প্রহসন হয়েছে, তারই পুনরাবৃত্তি হবে৷''

ইভিএম-এ ভোট কারচুপির আশঙ্কা কম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আসলে যন্ত্রের পিছনে মানুষগুলোর ভূমিকাই মুখ্য৷ তারা যদি সঠিক ভূমিকা পালন না করেন তাহলে ইভিএম দিয়ে কারচুপি ঠেকানো যাবে না৷ আর গত নির্বাচনে ইভিএম-এ যে কারচুপি হয়েছে তার প্রমাণতো আমাদের কাছে আছে৷''

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই বড় দুই দলের কোনো প্রার্থীকে পাওয়া যায়নি৷ তবে জাতীয় পার্টির ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী জি এম কামরুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমি এবার আশাবাদী যে অতীতের ইমেজ পুনরুদ্ধারের জন্য হলেও সরকার এবার সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে৷ ভোটারদের মধ্যে ভোট দেয়ার ব্যাপক আগ্রহ আছে৷ আমার আশা তাদের আগ্রহের প্রতি এবার সম্মান দেখানো হবে৷''

তবে তিনি বলেন, ‘‘সরকারের সদিচ্ছার ওপরে ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেয়া নির্ভর করছে৷ নানা পরিস্থিতির কারণে সরকার সদিচ্ছা দেখাবে বলে আমার বিশ্বাস৷ তাই আমার ভিতরে কোনো আশঙ্কা নেই৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন