সিএএ-র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কেরল সরকার | বিশ্ব | DW | 14.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

সিএএ-র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কেরল সরকার

এই প্রথম সুপ্রিম কোর্টে সিএএ-র বিরুদ্ধে মামলা করল একটি রাজ্য সরকার। কেরলের করা এই মামলায় দাবি করা হলো, এই সংশোধনী আইন সংবিধান বিরোধী।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে এই প্রথম কোনও রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে বিচার চাইল। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের সংবিধান বেঞ্চে এ বিষয়ে আবেদন জানাল কেরল সরকার। তাদের দাবি মোদী সরকার নাগরিকত্ব আইনের যে সংশোধন করেছে তা বিভেদমূলক। সংবিধান বিরোধী। সংবিধানের ১৪, ১৫ এবং ২১ নম্বর ধারার লঙ্ঘন হয়েছে। এই তিনটি ধারায় মূলত ধর্মনিরপেক্ষতা এবং মৌলিক অধিকারের কথা বলা আছে।

এর আগে সুপ্রিম কোর্টে সিএএ-র বিরুদ্ধে প্রায় ৬০টি মামলা রুজু হয়েছে। তবে এই প্রথম কোনও রাজ্য সরকার তাতে অংশ নিল। বস্তুত, এর আগেই কেরলের বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব নেওয়া হয়েছিল। শাসক বাম জোট এবং বিরোধী কংগ্রেস জোট এক যোগে সেই প্রস্তাব সমর্থন করেছিল। তারপরেই সর্বসম্মতিতে বিষয়টিকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে এলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। এ বিষয়ে ডয়চে ভেলেকে সিপিএম নেতা নীলোৎপল বসু বলেন, ''দেশের একটা বড় অংশের মানুষ বলছেন যে এই আইন সংবিধান বিরোধী। ব্যাপক আন্দোলন হচ্ছে। তবে রাজ্য হিসেবে কেরল এই বিরোধিতায় যে ভূমিকা নিল, তা গুরুত্বপূর্ণ। অন্য যে রাজ্যগুলি এর বিরোধিতা করছে, তারাও এই দৃষ্টান্ত খেয়াল করুক।''

সিএএ নিয়ে বিরোধ করছে পশ্চিমবঙ্গও। কিন্তু সেখানে বিধানসভায় এই বিষয়ে প্রস্তাব পাশ হতে দেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সিএএ বিরোধী অসংখ্য সভা এবং মিছিল তিনি করছেন। এ বিষয়ে নীলোৎপলবাবুর কটাক্ষ, ''মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কাজ করছেন তা সকলের সামনে রয়েছে। উনি একদিকে মোদীর সঙ্গে বৈঠক করছেন, অন্যদিকে আন্দোলনও করছেন। আবার তাঁরই রাজ্যের বেশ কিছু পুরসভায় এনপিআর এর কাজ চলছে। মানুষ সব দেখছেন।'' উল্লেখ্য এনপিআর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কাজ শুরু করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বিজ্ঞাপন করে জানিয়েছিলেন যে, এর সঙ্গে নাগরিকপঞ্জি অর্থাৎ এনআরসির কোনও সংযোগ নেই। তবে পরে সিএএ নিয়ে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জানিয়ে দেয়, তারা এনপিআর এর কাজ বন্ধ করছে।  কারণ মোদী এবং মমতার বোঝাপড়া হয়ে গিয়েছে।

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন