সিআইএ প্রধানের সঙ্গে কিমের গোপন বৈঠক? | বিশ্ব | DW | 18.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

উত্তর কোরিয়া

সিআইএ প্রধানের সঙ্গে কিমের গোপন বৈঠক?

সিআইএ প্রধান হিসেবে মাইক পম্পেও গোপনে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোরীয় সংকটের অবসানের আশা প্রকাশ করেছেন৷

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সত্যি পরস্পরের মুখোমুখি হবেন, এমনটা বিশ্বাস করা বেশ কঠিন৷ কিন্তু এমন শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতি যে জোরকদমে চলছে, তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে৷ ওয়াশিংটন পোস্ট সংবাদপত্রের সূত্র অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের শুরুতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রধান মাইক পম্পেও গোপন সফরে উত্তর কোরিয়া গিয়ে সে দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন৷ ঠিক তার পরেই পম্পেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন৷

হোয়াইট হাউস ও সিআইএ অবশ্য এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি৷ তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা উচ্চ পর্যায়ের এই গোপন বৈঠকের সত্যতা স্বীকার করেছেন৷ তাঁরা বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান এই বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন৷ তাঁদের দাবি, আলোচনায় সন্তুষ্ট হয়ে পম্পেও শীর্ষ বৈঠকের পক্ষে সওয়াল করেছেন৷ উল্লেখ্য, ট্রাম্প নিজে মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন যে, দুই দেশের মধ্যে ‘অতি উচ্চ পর্যায়ে' সরাসরি আলোচনা চলছে৷

শুধু প্রতীকী সাক্ষাৎ নয়, ট্রাম্প কোরীয় উপদ্বীপে সংকটের অবসান করতে বদ্ধপরিকর৷ আনুষ্ঠানিকভাবে কোরীয় যুদ্ধ শেষ করতে চান তিনি৷ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে আসন্ন শীর্ষ বৈঠকের প্রতি তাঁর ‘আশীর্বাদ' রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প৷ সেখানে সংকটের অবসানের লক্ষ্যে এক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে৷

ট্রাম্প ও কিমের সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠকের জন্য জায়গা বাছাইয়ের কাজ চলছে৷ মোট ৫টি জায়াগার মধ্যে একটিতে এই ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ হতে পারে৷ চীন, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া অথবা কোরীয় সীমান্তে নিরপেক্ষ এলাকায় পানমুনজং গ্রামে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে৷

ফ্লোরিডায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ও ট্রাম্প কোরীয় সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন৷ আবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উদ্যোগের প্রশংসা করেন৷ ট্রাম্প বলেন, সম্ভবত মে মাসের শেষে অথবা জুন মাসের শুরুতে কিম জং উন ও তাঁর শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে, যদিও বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি৷ ট্রাম্প সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, তার আগে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে আদৌ কোনো শীর্ষ বৈঠক না-ও হতে পারে৷ সে ক্ষেত্রে তিনি আগের মতোই কড়া পথে চলবেন৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন