সামরিক বাজেট বিলে ট্রাম্পের ভেটো | বিশ্ব | DW | 14.12.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

সামরিক বাজেট বিলে ট্রাম্পের ভেটো

সামরিক বাজেট বিলে ভেটো দেবেন বলে জানালেন ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে তাঁর ভেটো গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।

মার্কিন সামরিক বাজেট বিলে ভেটো দেওয়ার হুমকি দিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। রোববার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ট্রাম্প টুইট করে এ কথা জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের ভেটোও এই বিল আটকাতে পারবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত সপ্তাহের শেষে মার্কিন কংগ্রেসে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাশ হয়েছে এ বারের সামরিক বাজেট বিল। সংসদের দুই কক্ষেই তা পাশ হয়ে গিয়েছে। রোববার ট্রাম্প জানিয়েছেন, সংসদে বিল পাশ হলেও তিনি প্রেসিডেন্টের বিশেষ ভেটো প্রয়োগ করবেন বিলটির বিরুদ্ধে। যদিও কেন তিনি ভেটো প্রয়োগ করতে চান, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো কারণ দেখাননি ট্রাম্প। বলেছেন, এই বিল পাশ হলে চীনের সুবিধা হবে। কেন হবে, বলেননি তিনি।

আগামী ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে ট্রাম্পকে। নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন জো বাইডেন। তার আগে সামরিক বাজেট বিলে ভেটো দিয়ে আরো একবার নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ট্রাম্প ভেটো দিলেও তা গ্রহণযোগ্য না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ, মার্কিন কংগ্রেসে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ভোটে পাশ হয়েছে সামরিক বাজেট বিল। মার্কিন সংবিধানে একে বলা হয় সুপার মেজরিটি। এই পরিমাণ মেজরিটি থাকলে প্রেসিডেন্টের ভেটো কাজ করে না।

সেনেটে বিলটি ৮৪-১৩ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাশ হয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেসে ৩৩৫-৭৮ ভোটে পাশ হয়েছে বিলটি। অর্থাৎ, দুই-তৃতীংশেরও বেশি ভোটে পাশ হয়েছে বিলটি। এই বিলে সামরিক কর্মীদের বেতনবৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। এ বছরের জন্য ৭৪০ বিলিয়ন ডলারের সামরিক বাজেট করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ট্রাম্প এই বিলে ভেটো দিতে চাইছেন কারণ, এখানে জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়েও কোনো কথা নেই। সামরিক বাজেট বিলে এ সব কথা থাকার কথাওনয়। কিন্তু ট্রাম্প চেয়েছিলেন এই বিষয়গুলি বিলে থাকবে। ট্রাম্পের অভিযোগ, গুগল, ফেসবুকের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্ক তাঁর বিরুদ্ধে। ফলে সোশ্যাল নেটওয়ার্ককে চাপে রাখতে বিশেষ আইন তৈরি করতে চান তিনি। কিন্তু সংসদ তাঁর সেই বক্তব্য সমর্থন করেনি।

এসজি/জিএইচ (এসজি/জিএইচ)