সাবেক খুনির ‘অনুরোধ’ রাখলো জার্মানির আদালত | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 01.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

সাবেক খুনির ‘অনুরোধ’ রাখলো জার্মানির আদালত

ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে জার্মানির এক আলোচিত খুনির নাম৷ মুক্তি পাওয়ার পর তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এমনটাই রায় দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত৷

১৯৮২ সালের ঘটনা৷ আপোলোনিয়া নামের একটি জাহাজের ক্রু ছিলেন তিনি৷ জাহাজটি ক্যারিবীয় উপকূলে পৌছালে তার সাথে অন্যদের বাকবিতণ্ডা হয়৷ এক পর্যায়ে তিনি গুলি করে দু'জনকে হত্যা করেন, আরেকজন গুরুতর আহত হয়৷ এই ঘটনা জার্মানিতে চাঞ্চল্যকর এক মামলায় পরিণত হয়৷ একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে৷ ঘটনাটি অবলম্বনে বের হয় একটি বই, জার্মানির সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম এআরডিতে ২০০৪ সালে প্রচারিত হয় একটি তথ্যচিত্র৷

সাজা শেষে ২০০২ সালে মুক্তি পেয়েছেন দু'জনকে খুন করা সেই ব্যক্তি৷ কিন্তু তার নামটি মামলা চলার সময় ছাপানো প্রতিবদনের আর্কাইভ সংস্করণে রয়ে গেছে৷

১৯৯৯ সালে জার্মানির বিখ্যাত ম্যাগাজিন ডেয়ার স্পিগেল তাদের পুরনো কিছু সংখ্যা ইন্টারনেটে প্রকাশ করে৷ যেখানে ১৯৮২ থেকে ১৯৮৩-র মধ্যে সেই খুনিকে নিয়ে করা তিনটি প্রতিবেদনও রয়েছে৷

২০০৯ সালে বিষয়টি জানতে পারেন তিনি৷ অনলাইনে তার নাম ধরে সার্চ করলে ঐ তিনটি প্রতিবেদনই আগে আসে৷ এ নিয়ে আদলতে ধরণা দেন তিনি৷ আবেদন জানান প্রতিবেদনগুলো যাতে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়৷ জার্মানির ফেডারেল কোর্ট অব জাস্টিস প্রথমে মামলাটি খারিজ করে দিয়েছিল৷ বলা হয়েছিল, আপোলোনিয়া হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জানার অধিকার জনগণের রয়েছে, আর এর সাথে তার নামটিও ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷

কিন্তু পাল্টা যুক্তি তুলে ধরেন সেই ব্যক্তি৷ আদালতকে তিনি বলেন, প্রতিবেদনগুলোর ইন্টারনেট আর্কাইভের কারণে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন হচ্ছে৷ শুধু তাই নয় এর ফলে তিনি নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে পারছেন না৷

এমন অবস্থায় জার্মানির উচ্চ আদালত তার যুক্তির পক্ষেই রায় দিয়েছে৷ তাহলে কি মানুষ খুনির নাম জানতে পারবে না? আদালত বলছে, সার্চ ইঞ্জিন চলমান ও সাম্প্রতিক অপরাধের ঘটনার সংবাদ দেখাতে পারে৷ কিন্তু পুরনো সংবাদ প্রতিবেদনে খুনিদের নাম থাকা জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ নয়৷

রায় অনুযায়ী, জার্মান গণমাধ্যমগুলো অনলাইন আর্কাইভে পুরনো প্রতিবেদন পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে পারবে, তবে কেউ সেখান থেকে তার নাম সরাতে চাইলে সেটিও আমলে নিতে হবে৷

বেন নাইট/এফএস    

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন