সাধারণ গাড়িও চালানো যাবে কৃত্রিম জ্বালানিতে | অন্বেষণ | DW | 23.11.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

সাধারণ গাড়িও চালানো যাবে কৃত্রিম জ্বালানিতে

প্রচলিত পেট্রোল বা ডিজেল ইঞ্জিনে কৃত্রিম জ্বালানি ভরে প্রায় নির্গমনহীন যান পথে নামাতে পারলে এক ঢিলে দুই পাখি মারা সম্ভব৷ পুরানো গাড়ি বাতিল না করেই পরিবেশ দূষণ কমানোর সেই প্রচেষ্টা চলছে৷

Symbolbild Stagflation Tankstelle Benzinpreise

প্রতীকী ছবি

ইঞ্জিনের দূষণ কমানোর প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে বিশাল এক অসুবিধা রয়েছে৷ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে মার্টিন হেয়ার্টেল বলেন, ‘‘ইঞ্জিনের মধ্যেই নাইট্রিক অক্সাইড সৃষ্টি বন্ধ করতে পারলে অন্যদিকে আরও পার্টিকুলেট সৃষ্টি হবে অথবা জ্বালানির খরচ বেড়ে যাবে৷ বিশেষ করে আজকের জীবাশ্মভিত্তিক জ্বালানির ক্ষেত্রে আমরা দক্ষতার সীমায় এসে পড়েছি৷ সে কারণে ভবিষ্যতের জন্য উপযুক্ত জ্বালানির সন্ধানেও গবেষণা চলছে৷''

গবেষকরা একই সঙ্গে তৃতীয় আইডিয়া নিয়েও ভাবনাচিন্তা করছেন৷ কম্বাশন ইঞ্জিনের জন্য ওএমই নামের এই নতুন কৃত্রিম জ্বালানি প্রায় কোনো কার্বন নির্গমন করবে না৷ হেয়ার্টেল বলেন, ‘‘আমার মতে, এভাবে বিষয়টি দেখানো যেতে পারে৷ আমার হাতে দুটি উইক বটল রয়েছে৷ একটিতে ডিজেল, অন্যটিতে ওএমই ভরা রয়েছে৷ ডিজেল জ্বালালে হলুদ শিখা ও উপরদিকে ধাবমান পার্টিকুলেটের ধোঁয়া স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷ ইঞ্জিনের মধ্যেও ঠিক সেটাই ঘটে৷ ওএমই দিয়ে একই কাজ করলে স্পষ্ট দেখা যাবে যে হলুদ শিখা আর নেই৷ কারণ হলুদ আলোর উৎস হলো পার্টিকুলেট বা বস্তুকণা৷ গরম ইস্পাতের মতো সেটি জ্বলজ্বল করে বলে এমন আলোর ছটা দেখা যায়৷ ইঞ্জিনের মধ্যেও সেটা ঘটে৷''

তুলনার খাতিরে প্রথমে প্রচলিত ডিজেল ইঞ্জিন চালু করা হলো৷ উইক বটল নিয়ে পরীক্ষার সময় যেমনটা ঘটেছিল, জীবাশ্মভিত্তিক জ্বালানি ইঞ্জিন কক্ষেও তেমন উজ্জ্বল ও হলুদ ছটা দেখা গেল৷

এবার কৃত্রিম জ্বালানির পালা৷ এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই৷ ডিজেল ইঞ্জিনেই সেটি ব্যবহার করা সম্ভব৷ অর্থাৎ প্রচলিত ইঞ্জিনই যথেষ্ট৷ সিন্থেটিক ফুয়েলের ক্ষেত্রে ভোক্তাদের বেশি মাথা ঘামাতে হবে না৷ ইঞ্জিন ও ট্যাংক একই থাকবে, নতুন করে কোনো ভাবনাচিন্তার প্রয়োজন হবে না৷ কিন্তু অন্যদিকে কম্বাশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বদলে যাবে৷

বামে ডিজেল, ডানদিকে কৃত্রিম জ্বালানি৷ বামে পার্টিকুলেট, নাইট্রিক অক্সাইড, কার্বন-ডাই-অক্সাইড৷ ডানদিকে প্রায় কিছুই নেই৷ হেয়ার্টেল মনে করেন, ‘‘প্রচলিত, জীবাশ্মভিত্তিক জ্বালানি ব্যবহার না করেও কম্বাশন ইঞ্জিনের মধ্যে যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷ তার বদলে আধুনিক ও কৃত্রিম জ্বালানি কাজে লাগিয়ে নির্গমনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমানোর অনেক সুযোগ রয়েছে৷ তবে বড় আকারে এমন জ্বালানির উৎপাদনও কঠিন চ্যালেঞ্জ৷ সেটা সম্ভব হলে কম্বাশন ইঞ্জিন ভবিষ্যতেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে বলে আমি মনে করি৷''

কৃত্রিম জ্বালানিতে চলা কম্বাশন ইঞ্জিনযুক্ত এই মোটরকাইকেলই সেই ভবিষ্যতের ইঙ্গিত রাখছে৷ যে কোনো ইলেকট্রিক গাড়ির তুলনায় জলবায়ুর কম ক্ষতি করে এই ইঞ্জিন৷

ক্রিস্টিয়ান ফ্রিডল/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক