সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল | বিশ্ব | DW | 22.08.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা নূর হোসেন, র‍্যাব-১১-এর সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মোহাম্মদসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট৷

জজ আদালতে যে ২৬ আসামিকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তাদের মধ্যে ১১ জনের সাজা কমিয়ে হাইকোর্ট যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন৷ নিম্ন আদালতে নয়জনকে দেওয়া বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডের রায় হাইকোর্টেও বহাল রয়েছে৷ আসামিদের করা আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চ আজ এ রায় দেন৷

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন সাবেক কোম্পানি কমান্ডার মেজর (অব.) আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার (চাকরিচ্যুত) এম মাসুদ রানা, হাবিলদার মো. এমদাদুল হক, এ বি মো. আরিফ হোসেন, ল্যান্স নায়েক হিরা মিয়া, ল্যান্স নায়েক বেলাল হোসেন, সিপাহি আবু তৈয়ব আলী, কনস্টেবল মো. শিহাব উদ্দিন, এসআই পূর্ণেন্দু বালা, সৈনিক আবদুল আলিম, সৈনিক মহিউদ্দিন মুনশি, সৈনিক আল আমিন, সৈনিক তাজুল ইসলাম৷

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ২৬ জুলাই একই বেঞ্চ রায়ের জন্য ১৩ আগস্ট তারিখ রেখেছিলেন৷ এদিন রায়ের তারিখ পিছিয়ে ২২ আগস্ট নতুন তারিখ দেন আদালত৷

সাত খুনের ঘটনায় করা দুই মামলায় চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত রায় দেন৷ রায়ে র‍্যাবের সাবেক ১৬ কর্মকর্তা-সদস্য এবং নারায়ণগঞ্জের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন ও তাঁর অপরাধজগতের নয় সহযোগীসহ মোট ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত৷ এ ছাড়া র‍্যাবের আরও নয়জন সাবেক কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়৷

সকাল সাড়ে ১০টায় হাই কোর্ট এ মামলার রায় পড়া শুরু করে৷ প্রথমে সাংবাদিকদের এজলাস কক্ষে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও পরে মাত্র দশজন সাংবাদিক ঢোকার সুযোগ পান৷ 

নিহত কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায়  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, ‘‘আসামিরা যে ধরনের অপকর্ম করেছে, তার উপযুক্ত শাস্তি হয়েছে৷'' সুপ্রিম কোর্টেও এ রায় বহাল থাকবে এবং দ্রুত দণ্ড কার্যকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন৷ অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এই রায়কে ‘দৃষ্টান্তমূলক' হিসেবে উল্লেখ করেছেন৷ ১১ জনের সাজা কমানোর বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কিনা, পুরো রায় পড়ার পর সে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে বিডিনিউজকে জানিয়েছেন তিনি৷

২০১৪ সালের ২৭শে এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়৷ এর তিন দিন পর ৩০শে এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়৷ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড পুরো বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল৷ ওই হত্যাকাণ্ডে এলিট বাহিনী র‌্যাবের কয়েকজনের জড়িত থাকার তথ্য বেরিয়ে এলে বিষয়টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও শিরোনাম হয়েছিল৷

এপিবি/এসিবি 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক