সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচি চলছে | বিশ্ব | DW | 24.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচি চলছে

সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার এবং হল-ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার দাবিতে আবারও নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নিয়েছে৷ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত নীলক্ষেত মোড় অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন শিক্ষার্থীরা৷

বুধবার সকাল ৯টার দিকে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করলে নিউ মার্কেট-আজিমপুর সড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আশপাশের সড়কগুলোতে যানজটের সৃষ্টি হয়৷ আন্দোলনকারীরা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন৷

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিকেলে সাত কলেজের প্রধান সমন্বয়ক ও অধ্যক্ষদের এক সভায় সাত কলেজের সব পরীক্ষা ২৪ মে পর্যন্ত স্থগিত করা হয়৷ পরে সন্ধ্যায় তাৎক্ষণিকভাবে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা৷রাত ১০টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করার পর বুধবার সকালে রুটিন অনুযায়ী চলমান পরীক্ষা নেওয়াসহ আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা৷

আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র আবু বকর বলেন, ‘‘হঠাৎ করে চলমান পরীক্ষা স্থগিত খরে দেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের খামখেয়ালি মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ধরনের সিদ্ধান্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখ্যান করছে৷ চলমান পরীক্ষাসমূহ রুটিন অনুযায়ীই নিতে হবে অন্যথায় আমাদের আন্দোলন চলবে৷’’

ইডেন কলেজের ছাত্রী মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘‘আমাদের ফোর্থ ইয়ারের পরীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়ার কোনো মানে হয় না৷ ২০১৯ সালের পরীক্ষা এখনও আটকে আছে, আমরা আর কত সেশনজটে পড়ে থাকব? আমরা আমাদের ক্যারিয়ার নিয়ে চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তায় আছি৷’’ করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ৷

রোববার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন হলের তালা ভেঙে ভেতরে অবস্থান নিলে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও তার আঁচ লাগে৷ সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল ও অমর একুশে হলের প্রধান ফটকের শিকল খুলে ভেতরে ঢুকে পড়েন শিক্ষার্থীরা৷

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, ঈদুল ফিতরের পর ২৪ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে৷ তার আগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হবে এবং ২৪ মে পর্যন্ত কোন বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ধরনের পরীক্ষা নিতে পারবে না৷

শিক্ষামন্ত্রী এই ঘোষণার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্বের পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ মার্চ থেকে আবাসিক হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে এবং পরীক্ষার রুটিনও বাতিল করা হয়৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান হল খোলার পর শিক্ষার্থীদের দুই সপ্তাহের প্রস্তুতির সময় দিয়ে পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে বলে জানান৷

মঙ্গলবার বিকালে সাত কলেজের প্রধান সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সভায় সব পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত হয়৷ মাকসুদ কামাল ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘‘অধিভুক্ত সাত কলেজের সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে৷ আগামী ২৪ মে থেকে ক্রম অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে৷’’

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

সংশ্লিষ্ট বিষয়