সাগর-রুনি হত্যার বিচার নিয়ে ডয়চে ভেলের পাঠকরা হতাশ | পাঠক ভাবনা | DW | 14.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মতামত

সাগর-রুনি হত্যার বিচার নিয়ে ডয়চে ভেলের পাঠকরা হতাশ

‘‘ছয় বছর পরও সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়ার কারণ সবার জানা,  ক্ষমতার অপব্যবহার হচ্ছে''- ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় এরকম মন্তব্য করেছেন অনেক পাঠক৷ কারণ, হিসেবে কেউ সরকারকে দায়ী করেছেন, আবার কেউ বা সাংবাদিক মহলকে৷

‘‘বিচার হবে কোথা থেকে? সাংবাদিকরাই তো বৈঈমানি করলেন৷ সাগর-রুনির হত্যার বিচার চাওয়া কমিটির প্রধান আব্দুস সোবহান (প্রকৃত নাম ইকবাল সোবহান)-কে শেখ হাসিনা পদ দিয়ে কিনে নিয়েছেন৷ আর আপনারা নিজেদের স্বার্থে সাগর-রুনিকে ব্যবহার করলেন, কিন্তু আজ এক মিনিটের জন্য প্রতিবাদ করতে দেখি নাই৷ তাদের মৃত্যুবার্ষিকী আসলে সংবাদ প্রচার করেন, সেখানেও স্বার্থ, ওয়েবসাইটে যত ভিজিটর তত টাকা!'' এই মন্তব্য পাঠক রমজান আলির৷

পাঠক মহসিন মিয়াও রমজান আলির সাথে একমত৷  আর ‘‘সাগর ও রুনির হত্যার বিচার এই অবৈধ সরকারের দ্বারা কিভাবে সম্ভব ?''–  এই প্রশ্ন রোকনুজ্জামানের৷

তবে সাখাওয়াত বাবন কিন্তু ছয় বছর পরও  সাগর আর রুনি হত্যার বিচার নাহওয়ার জন্য বর্তমান সরকারকেই দায়ী করছেন৷ অবশ্য আনিসুর রহমানের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দুঃখ হয়, তারপরও তিনি আশাবাদী যে, সুদিন আসবেই৷

ছয় বছর আগে সাগর ও রুনি হত্যার পর তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘৪৮ ঘন্টার মধ্যেই সকল রহস্যের উদঘাটন হবে৷'' ‘‘৪৮ ঘন্টা এখনো হয়নি - এই ৪৮ ঘণ্টার ব্যাপ্তি সম্পর্কে বলা মুশকিল!  সাংবাদিক সাগর, রুনির খুনের বিচার সম্পর্কে এই মন্তব্য পাঠক  মাহফুজুল ইসলামের৷ 

অনেকের মতো পাঠক মেহেদি হাসানও পুরোপুরি হতাশ৷ ডয়চে ভেলের তৈরি ছবিঘরের শিরোনামের সঙ্গে কিছুটা মিলিয়ে তাই তিনি বলছেন ‘‘আসলেই ভুলে যাওয়া উচিত৷''

পাঠক কাজি মানিক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এভাবে, ‘‘আসল সত্যটা খুব সহজে বোঝা যায়, যারা এই খুনের সাথে জড়িত, তারা কি করে এই খুনের বিচার করবে? এতদিন পরও এই সত্যটা বুঝলেন না?'' হাসান আল আরিফ লিখেছেন, ‘‘যারা খুন করেছে আবার তারাই করবে বিচার! সত্যি হাস্যকর!''

আরিফের সাথে একমত ডয়চে ভেলের পাঠক আশরাফুল ইসলাম ও দিদার আলম৷

অন্যদিকে ‘‘ বিচার হবে ভাই'' বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাকির হাসান জীবন৷ 

‘‘আর কত ঘটনা মনের মধ্যে চেপে রেখে নিজের মনকে ঐ ঘটনাগুলোকে ভুলে যেতে বলবো''– ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় নিজেকেই এই প্রশ্ন করেছেন সোহাগ মাহমুদ৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন