সাইপ্রাসের ব্যাংক খুলল, কিন্তু বিশৃঙ্খলা ছাড়াই | জার্মানি ইউরোপ | DW | 28.03.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি ইউরোপ

সাইপ্রাসের ব্যাংক খুলল, কিন্তু বিশৃঙ্খলা ছাড়াই

আমানতকারীরা যে আতঙ্কিত, কিংবা টাকা তুলতে আকুল, ব্যাংকের বাইরের লাইন দেখে তা মনে হয়নি৷ অবশ্য টাকা তোলা কিংবা দেশের বাইরে পাঠানোর ব্যাপারে বিভিন্ন বাধানিষেধ আরোপ করা হয়েছে৷

সাইপ্রাসের রাজধানী নিকোসিয়ার ব্যাংকগুলির উপর বস্তুত ‘ব্যাংক রান' হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল৷ কিন্তু প্রায় দু'সপ্তাহ ধরে ব্যাংকগুলি বন্ধ রেখে, এবং যখন সেগুলো আবার চালু হবে, তখন টাকার লেনদেনের উপর নানা ধরনের বাধানিষেধ আরোপ করে পরিস্থিতিটা – বলতে কি – আগেই নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলা হয়েছিল৷

কাজেই বৃহস্পতিবার নিকোসিয়া থেকে যে কোনো নাটকীয় দৃশ্য সারা বিশ্বের টেলিভিশনের পর্দায় ফুটে ওঠেনি, তা-তে আশ্চর্য হবার কিছু নেই৷ এছাড়া পুলিশ রাখা হয়েছিল, বেসরকারি নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন ছিল৷ সে সব কিছুর প্রয়োজন ছিল কিনা, সেটা আরেক প্রশ্ন৷ সাইপ্রাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা লাইকি ব্যাংক তো সময়ে খুলতেই পারেনি – ব্যাংকের কম্পিউটার সিস্টেমে নাকি কি গোলযোগ ছিল৷ তা সত্ত্বেও গ্রাহকরা ধৈর্য হারায়নি৷

কড়া নিয়ন্ত্রণ

সিপ্রিয়টরা ধৈর্য হারায়নি কেন? বিধিনিষেধের কারণে৷ কোনো আমানতকারী তার নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে ৩০০ ইউরোর বেশি তুলতে পারবে না৷ বিদেশে টাকা পাঠাতে হলে একবারে ৫,০০০ ইউরোর বেশি পাঠানো চলবে না৷ ক্রেডিট কার্ডের পেমেন্ট মাসে ৫,০০০ ইউরোয় সীমিত করা হয়েছে৷ চেক জমা দেওয়া চলবে, কিন্তু ক্যাশ করা চলবে না৷

সিপ্রিয়টরা দেশ ছেড়ে বিদেশে যাওয়ার সময় ১,০০০ ইউরোর বেশি নগদ নিয়ে যেতে পারবেন না৷ কোনো ফিক্সড ডিপোজিট ম্যাচিওর করার আগে টার্মিনেট করা চলবে না৷ এভাবে আগে থেকেই ব্যাংক রান অথবা দেশ থেকে বিদেশে পুঁজি পাচারের সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ কাজেই গোলযোগের সুযোগটা কোথায়?

‘মনিটরিং'

সাইপ্রাসের অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, এ সব বাধানিষেধ প্রত্যহ পর্যালোচনা করা হবে, তবে আগামী বুধবারের আগে এগুলি প্রত্যাহারের কোনো সম্ভাবনা নেই৷ ইউরোপীয় কমিশন একটি বিবৃতিতে বলেছে, সাইপ্রাসের আর্থিক ব্যবস্থার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য এই সব নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন ছিল৷ নয়ত সাইপ্রাসের ব্যাংকগুলিতে জমা রাখা আমানত অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিদেশে চলে যেতে পারত৷

তবে কমিশন এ-ও বলেছে যে, পুঁজির অবাধ যাতায়াত যতো শীঘ্র সম্ভব পুনরায় চালু করা উচিৎ৷ এছাড়া কমিশন স্বয়ং সাইপ্রাসে আরোপিত বাধানিষেধগুলির উপর নজর রাখবে এবং খেয়াল রাখবে যে এই সব বাধানিষেধ যেন ‘‘পুরোপুরি অনুপাতমূলক'' হয়৷

এসি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন