সরকার এবং বিরোধীদলের মধ্যে শক্তির ভারসাম্য? | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 14.01.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

সরকার এবং বিরোধীদলের মধ্যে শক্তির ভারসাম্য?

বাংলাদেশের পত্রপত্রিকাগুলোয় স্বভাবতই খুলনা এবং বরিশালে পৌর নির্বাচনের খবর প্রথম পাতায়৷ তবে সেই সঙ্গে পদ্মা সেতু প্রকল্পে ‘‘স্বচ্ছতার’’ প্রসঙ্গ এবং অবশ্যই ‘‘হাড় কাঁপানো শীত’’ বাদ পড়েনি৷

default

পদ্মা প্রকল্পের ব্যাপ্তি আছে, বিশালতা আছে - কিন্তু স্বচ্ছতা?

নির্বাচনের ফলাফল ছেড়ে এখন বিশ্লেষণের পর্ব শুরু হয়েছে৷ দেশের যে আড়াই'শো পৌরসভার মেয়াদ শেষ, তাদের প্রায় অর্ধেকের মেয়র নির্বাচন হয়ে গেছে৷ আপাতত বিএনপি সমর্থিত মেয়রদের সংখ্যা আওয়ামী লীগের চেয়ে ছ'টি বেশী৷ তবে নির্বাচিত বিদ্রোহীদের ধরলে ‘‘দুই দলের ব্যবধান মাত্র এক কদম'', লিখছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷

উত্তরে হারল কেন আওয়ামী লীগ?

উত্তরাঞ্চলে অসাফল্য কিন্তু বস্তুত আওয়ামী লীগের৷ সেখানে আওয়ামী লীগের ভরাডুবির পিছনে বিদ্রোহী প্রার্থী সমন্বয়ের অভাব, লিখছে জনকণ্ঠ৷ ‘‘সর্বত্র সমন্বয়হীনতা, বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি, যোগ্য প্রার্থীর মনোনয়নে ব্যর্থতা, অন্তর্দলীয় কোন্দল, গৃহবিবাদ আর অতিরঞ্জিত আত্মবিশ্বাস'' - এই হল জনকণ্ঠের তালিকা৷ এ'গুলোই ছিল উত্তরাঞ্চলে আওয়ামী লীগের বিপর্যয়ের কারণ৷ দৃশ্যত শেখ হাসিনা ক্ষুব্ধ এবং দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের তলব করে কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি - এ'খবর কালের কণ্ঠেও আছে৷

পদ্মা সেতু প্রকল্পের ‘‘স্বচ্ছতা''

পদ্মা সেতুর নির্মাণব্যয়ের সিংহভাগটি দেবে বিশ্বব্যাংক৷ তাদের বাংলাদেশ প্রধান অ্যালেন গোল্ডস্টেইন নাকি এখনই স্বচ্ছতা নিয়ে চিন্তিত৷ অন্তত বৃহস্পতিবারের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি যে প্রস্তাবটি দিয়েছেন, তার মর্ম তাই৷ বিডিনিউজ'এর বিবরণ অনুযায়ী পদ্মা সেতুর নির্মাণব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি পৃথক, স্বাধীন পর্যবেক্ষণ দল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক৷ তবে সরকারের উপর বিশ্বব্যাংকের আস্থা আছে, গোল্ডস্টেইন এ'কথাও বলেন৷ যাই হোক, প্রকল্পটিকে যে কোনো বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে, এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে হবে৷ সমকালের খবর অনুযায়ী পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত অর্থ শীঘ্রই ছাড় করা হবে, বলেছেন গোল্ডস্টেইন৷ আগামী ফেব্রুয়ারিতেই ঋণ প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন৷

ভয় নেই, শীত নাকি এবার কমবে

বাকি থাকে হাড় কাঁপানো শীতের খবর৷ ‘‘শৈত্যপ্রবাহ আরো দু'দিন চলবে, ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু'', শীর্ষক করেছে জনকণ্ঠ৷ বৃহস্পতিবার যশোরে সর্বনিম্ন ৪ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়৷ রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ২ - আকাশ ঢাকা ছিল কুয়াশায়৷ গরম কাপড়ের বিক্রী এবং দাম, দুই'ই বেড়েছে৷ গ্রামে গ্রামান্তরে শীতার্ত মানুষদের বাঁচার পন্থা, ‘গণঅগ্নিকুণ্ডে' তাপ পোয়ানো৷ - অপরদিকে আবহাওয়া দপ্তরের সূত্রে ঊর্ধ্ব আকাশের হিমশীতল জেটবায়ু সংক্রান্ত তথ্য এবং ছবি দিয়ে প্রকৃতির এই দুর্যোগ ব্যাখ্যান করার চেষ্টা করেছে ইত্তেফাক, প্রথম আলো ইত্যাদি পত্রিকা৷ আবহাওয়া দপ্তর নাকি জেটবায়ুর যাত্রাপথ, গতিবেগ ইত্যাদি হিসেব করে দেখেছে, এবার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে৷

গ্রন্থনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন