সমকামীবিরোধী আইন নিয়ে হাঙ্গেরিতে গণভোটের ঘোষণা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 21.07.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

হাঙ্গেরি

সমকামীবিরোধী আইন নিয়ে হাঙ্গেরিতে গণভোটের ঘোষণা

এলজিবিটিকিউ-বিরোধী আইন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই টানাপড়েন চলছে হাঙ্গেরির৷ এর মধ্যেই এই আইন নিয়ে গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান৷

ভিক্টর ওরবান, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী

ভিক্টর ওরবান, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী

ইউরোপীয় কমিশন এরই মধ্যে এই আইন কার্যকর করায় ইউরোপীয় আদালতে হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছে৷ এ নিয়ে গণভোট আয়োজনকে আইনটির বিষয়ে দেশের মানুষের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা বলেই দেখছেন বিশ্লেষকেরা৷

নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে ওরবান বলেছেন, ‘‘গত কয়েক সপ্তাহে ব্রাসেলস (ইইউ সদরদপ্তর) এই আইন নিয়ে হাঙ্গেরিকে আক্রমণ করে চলেছে৷’’

১৮ বছরের কম বয়সিদের কাছে এলজিবিটিকিউ সম্পর্কিত কোনো বিষয় তুলে ধরা নিষিদ্ধ করে আইনটি পাস করে ভিক্টর ওরবানের সরকার৷ এরপর থেকে এ নিয়ে ইউরোপজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে৷ বুদাপেস্ট বলছে এই আইন শিশুদের সুরক্ষায় প্রণয়ন করা হয়েছে৷ কিন্তু বিরোধীরা বলছেন, ওরবান শিশুকামের সঙ্গে সমকামকে গুলিয়ে ফেলেছেন এবং এর ফলে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়কে হুমকিতে ফেলা হয়েছে৷

ওরবান জানিয়েছেন, এই গণভোটে পাঁচটি প্রশ্ন থাকবে৷ বাবা-মায়ের ‘সম্মতি ছাড়া’ স্কুলে সন্তানের সঙ্গে কেউ ‘যৌনতা নিয়ে আলোচনা’ করুক, এটা সমর্থন করেন কিনা জানতে চাওয়া হবে নাগরিকদের কাছে৷ ‘অপ্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে যৌন রূপান্তর বিষয়ে কথা বলা' সমর্থন করেন কিনা, এটিও থাকবে গণভোটের প্রশ্নে৷

সব প্রশ্নের উত্তরে সকল অংশগ্রহণকারীকে ‘না’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ওরবান৷ এখনও এই গণভোটের কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি৷

ইসরায়েলে তৈরি স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশে মোবাইল ফোনে নজরদারির ঘটনা প্রকাশ হওয়ার দুদিনের মাথায় এই গণভোটের ঘোষণা এলো৷ হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে এই নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্তত ৩০০ স্মার্টফোন হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছে৷ দেশটিতে ‘নজরদারির আওতায়’ থাকাদের মধ্যে রয়েছেন অনেক সাংবাদিকও৷ হাঙ্গেরি সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করলেও দেশটিতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন অনেকেই৷

এডিকে/এসিবি (এএফপি, এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়