‘সবাই জানে, তারপরও নারীরা সৌদি আরবে যাচ্ছে′ | পাঠক ভাবনা | DW | 17.10.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘সবাই জানে, তারপরও নারীরা সৌদি আরবে যাচ্ছে'

সৌদি আরবে বাংলাদেশি নারীদের ধর্ষণের শিকার হওয়া থেকে রক্ষা করার উপায় নিয়ে পাঠকদের নানা মন্তব্য উঠে এসেছে ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায়৷ তবে বেশিরভাগই নারীদের সে-দেশে না পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন৷ 

‘‘সৌদিতে বাংলাদেশি নারীদের রক্ষার উপায় হলো বাংলাদেশ থেকে কোনো নারী শ্রমিক না পাঠানো৷ শুধু সৌদিতেই না, মধ্যপ্রাচ্যর কোনো দেশেই নারী শ্রমিক পাঠানো ঠিক নয়৷''   ধর্ষণের হাত থেকে বাংলাদেশি  নারীদের রক্ষা করার উপায় সম্পর্কে এই পরামর্শ দিয়েছেন পাঠক হাদেয়ুল আলম৷

অন্যদিকে যেসব নারী শ্রমিককে উপার্জনের জন্য সৌদি আরবে যেতে হয়,তাঁদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে হয়তো তাঁদের আর বিদেশে যেতে হবে না৷ এক্ষেত্রে পাঠক রুবেল অনেকটা নিশ্চিত যে, বাংলাদেশ সরকার তা করবে না৷ তাঁর প্রশ্ন, বাংলাদেশ থেকে কেন শুধু গৃহকর্মী পাঠানো হয় সৌদি আরবে? রুবেল মনে করেন, বাংলাদেশ থেকে সেবিকার মতো শিক্ষিত নারীকর্মী পাঠানো যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে৷ আর তাহলে হয়তো ধর্ষণের মতো জঘন্য ব্যাপার আর ঘটবে না৷  

তবে ডয়চে ভেলের পাঠক দীপক দে লিখেছেন, ‘‘এত কিছু সত্বেও দেখি কিছু মানুষের অন্ধ ভালোবাসা আছে সৌদির প্রতি৷''

পাঠক সৌরভ অবশ্য ভিন্নমত পোষন করেন৷তাঁর ভাষায়, ‘‘সব দেশেই খারাপ মানুষ আছে, তাই বলে এই দেশকে প্রতি ঘৃণা করা উচিত? ইন্ডিয়ায় তো এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় পতিতালয় আছে, রাস্তাঘাটে মেয়েরা ধর্ষিত হয়৷''

পাঠক খুরশীদ আলম মনে করেন, সৌদিতে বাংলাদেশি নারীদের রক্ষার উপায় হলো, বাংলাদেশ থেকে কোনো নারী শ্রমিক সে দেশে না পাঠানো৷

আবদুল আলীম দুঃখ করে লিখেছেন, যাঁরা তাঁদের মা, বোনকে সৌদি আরবে পাঠায়, সে পরিবারের পুরুষগুলো নিশ্চয়ই পরিবারের ভরণ-পোষণ করতে অক্ষম৷ 

আর আশিক মনে করেন,‘‘দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, এগুলো সবাই জানে, তারপরও নারীরা সৌদি আরবে যাচ্ছে৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন