সন্ত্রাসী হামলা রোধে জার্মানির বিশেষ পদক্ষেপ | বিশ্ব | DW | 17.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

সন্ত্রাসী হামলা রোধে জার্মানির বিশেষ পদক্ষেপ

সন্ত্রাসবাদী হামলার হুমকি মোকাবেলায় বার্লিনে আগে থেকেই কাজ করছে জিএসজি নাইন৷ বর্তমান পরিস্থিতির দাবি মেটাতে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী এই বিশেষ বাহিনীর শক্তিবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে জার্মানি৷ চলছে নিয়োগ৷

সন্ত্রাসবাদী হামলা নিয়ে চিন্তিত জার্মানি৷ তাই এলিট কমান্ডো ফোর্স জিএসজি নাইনের শক্তি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ কমান্ডো সূত্রে খবর, বার্লিনে একটি বিশেষ দল তৈরি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা৷ ইতিমধ্যেই নতুন নিয়োগ শুরু হয়েছে৷

জিএসজি নাইন বা জার্মান এলিট কম্যান্ডো বাহিনী কেবলমাত্র সন্ত্রাসবাদেরই মোকাবিলা করে৷ বিশেষত সন্ত্রাসবাদীদের হাতে আটক ব্যক্তিদের উদ্ধারে তারা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত৷ জিএসজি নাইনের কমান্ডার জেরম ফুশ জানিয়েছেন, গত বেশ কিছুদিন ধরেই জার্মানিতে, বিশেষত বার্লিনে সন্ত্রাসবাদী হামলার আশঙ্কা আছে৷ সেকারণে বার্লিনের জন্য একটি বিশেষ দল তৈরি করতে চাইছেন তাঁরা৷ বস্তুত, এখন জিএসজি নাইনের প্রধান দফতর সাবেক পশ্চিম জার্মানির রাজধানী বন শহরের কাছে৷

বন থেকে বার্লিন অনেক দূরে৷ সে কারণেই বর্তমান রাজধানীর কাছাকাছি একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো দল তৈরি রাখতে চাইছেন তাঁরা৷ জেরম জানিয়েছেন, ইতিহাস বলছে, ইউরোপের অধিকাংশ সন্ত্রাসবাদী হামলাই রাজধানী শহরগুলিতে হয়েছে৷ ফলে বার্লিন নিয়ে তাঁরা অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে চাইছেন৷ তাছাড়া ২০১৬ সালে বার্লিনে ক্রিসমাস মার্কেটে হামলার কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ সেবার ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১২জনের৷

তথাকথিত আইএস জঙ্গিরা এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত৷ যদিও ইরাক এবং সিরিয়ায় তাদের শক্তি অনেক কমেছে৷ শান্তিপ্রতিষ্ঠাকামী সৈন্যদের কাছে তারা প্রায় পরাজিত৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও জার্মানির চিন্তা কমছে না৷ এলিট ফোর্স সূত্রে খবর, সিরিয়ায় আইএস পরাজিত হলেও গেরিলা কায়দায় ইউরোপে হামলা চালানোর পরিকল্পনা তারা থামাবে না৷ ফলে আগে থেকেই ব্যবস্থা নিয়ে রাখা দরকার৷

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জিএসজি নাইন৷ তখন মূলত সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব ছিল তাদের৷ কিন্তু মিউনিখ অলিম্পিকে ইসরায়েলের একজন অ্যাথলিটকে অপহরণ করে খুন করা হলে জার্মান পুলিশকে যথেষ্ট সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়৷ তখনই সন্ত্রাসবাদ বিরোধী বাহিনী হিসেবে জিএসজি নাইনকে তৈরি করা হয়৷ এরপর ১৯৭৭ সালে ফিলিস্তিনী সন্ত্রাসবাদীরা হাইজ্যাক করেছিল লুফথানসার একটি বিমান৷ জিএসজি নাইন সেবারও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ৮০জন পণবন্দিকে উদ্ধার করে৷

কিন্তু সমস্যা অন্যত্র৷ কমান্ডো সূত্রে খবর, উপযুক্ত প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷ জিএসজি নাইনে ঢোকা সহজ নয়৷ প্রাথমিক পরীক্ষায় ২৩ মিনিটের মধ্যে ৫কিলোমিটার দৌড়াতে হয়৷ ১৩ দশমিক ৪ সেকেন্ডে ১০০ মিটার দৌড়াতে হয়৷ এছাড়া অন্যান্য শারীরিক কসরতের পরীক্ষাও আছে৷ এখনও পর্যন্ত খুব বেশি প্রার্থী সেই পরীক্ষায় উতরাতে পারেননি৷ তবে কমান্ডার জানিয়েছেন, দ্রুত নিয়োগ শেষ করে ট্রেনিং শুরু হবে বার্লিনের জন্য তৈরি নতুন বাহিনীর৷

বেন নাইট/এসজি

গতবছরের এপ্রিলের এই ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন