সংস্কৃতি ও শিকড়ের টানে বাংলাদেশে ভ্রমণ | পাঠক ভাবনা | DW | 19.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

সংস্কৃতি ও শিকড়ের টানে বাংলাদেশে ভ্রমণ

বাংলাদেশ এখন পশ্চিমবঙ্গের মানু্ষদের ভ্রমণের প্রিয় গন্তব্য৷ এ নিয়ে দুই দেশের পাঠকদের আবেগ-অনুভূতি উঠে এসেছে ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায়৷ 

‘‘আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বাংলাদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি৷ আমাদের বিখ্যাত কবি, লেখকদের আদি বাড়ি অবিভক্ত বাংলায় ছিল৷ যেমন মধুসূদন, জীবনানন্দ দাস, কাজী নজরুল ইসলাম,  কবি জসীমউদ্দীন, সৈয়দ মুজতবা আলি৷ ওখানে অনেক কিছুই দেখার আছে৷ সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের ভীষণ ইচ্ছে হয়৷ ইচ্ছে হয় বাংলাদেশকে ঘুরে ঘুরে দেখার৷''  পাঠক মলয় মন্ডল এভাবেই তাঁর আবেগ-অনুভূতি কথা প্রকাশ করেছেন ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায়৷ তবে বাংলাদেশি কিছু পাঠক নাকি ফেসবুকে ভারতীয়দের অশোভন কথাবার্তা লেখেন, তাই মলয়ের বাংলাদেশে যেতে সাহস হয় না৷

তবে আমানুল হক বিজয় পাঠক মলয়কে অভয় দিয়ে ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, ‘‘ পাঠক মলয়কে অবশ্যই শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাই৷ বাংলাদেশে আসেন, এমন আতিথেয়তা এবং আন্তরিকতা সারা বিশ্বের কোথাও পাবেন না৷''এম এইচ কলিন্সও বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়েছেন মলয়কে৷

আর মোহাম্মদ রেহান খান লিখেছেন, ‘‘সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে পশ্চিম বঙ্গের এক দম্পতির সাথে দেখা হলো৷ আমি তাঁদের ছবি তুলে দেওয়ার পর তাঁরা লাইব্রেরি ঘুরে দেখলেন৷ তাঁদের সাথে  পরিচিত হয়ে খুব ভালো লাগলো৷'' 

পাঠক দিন হায়দার লিখেছেন, ‘‘পশ্চিম বাংলার মানুষের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রাণের সম্পর্ক৷  পশ্চিম বাংলার লাখ লাখ মানুষের আদি বাড়ি  এই বাংলাদেশেই৷ তবে যাদের ইতিহাস জ্ঞান নেই, তারা তা অস্বীকার করবে৷ শুভেচ্ছা জানাই ওপারের বাঙালিদের৷''

তবে আশীষ বিশ্বাস  দুঃখ করে লিখেছেন, ‘‘জীবন জীবিকার তাগিদে মানুষকে স্থানান্তরিত হতে হয়, এটা ঠিক৷  কিন্তু তার নিজের জায়গায় ফিরতে পাসপোর্ট বানাতে হয়, এটা আমাকে কষ্ট দেয়৷'' 

আর দীপক দে-র বক্তব্য এরকম, ‘‘একদিন আমরাও বাংলাদেশে বাস করেছি৷ তাই একটা টান আছে দেশটার উপর৷ কিন্তু আজ আর দেশটা আমাদের জন্য না৷ যারা টিকে আছে, তাদের কথা শুনে এটুকু বুঝি! তবে এটা ঠিক, ধর্মান্ধতা থাকলে শান্তি থাকে না!''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ  চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন