সংবিধান সংশোধনে মিয়ানমার সংসদে কমিটি গঠন | বিশ্ব | DW | 06.02.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার

সংবিধান সংশোধনে মিয়ানমার সংসদে কমিটি গঠন

সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে আলোচনা করতে একটি কমিটি গঠনের ব্যাপারে ভোট হয়েছে মিয়ানমার সংসদে৷ সামরিক আইনপ্রণেতাদের বিরোধিতার মধ্যে প্রস্তাবটি পাস হয়েছে৷

পার্লামেন্টের উচ্চ ও নিম্ন- দুই কক্ষের সদস্যরাই ভোট দেন৷ মোট ৬১১ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে কমিটি গঠনের পক্ষে ভোট দেন ৪১৪ জন৷ উল্লেখ্য, সংসদের দুই কক্ষেই অং সান সু চি'র দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে৷

স্পিকার টি খুন মেয়াত জানান, ডেপুটি স্পিকার টুন টুন হাইন এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন৷ এছাড়া কমিটিতে অন্য রাজনৈতিক দল ও সামরিক আইনপ্রণেতাদের সমান সংখ্যা থাকবে৷

অং সান সু চি'র নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন দল ‘ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি' বা এনএলডি গত সপ্তাহে সংসদে একটি ‘জরুরি প্রস্তাব' উত্থাপন করে৷ ২০০৮ সালে সেনাবাহিনী যে সংবিধান সংশোধন করেছিল, সেটিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে তা সংশোধনের প্রস্তাব আনা হয়৷

সু চি ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রায় তিন বছর অতিবাহিত হতে চললো এবং সেনাবাহিনীর ছত্রছায়ায় চালিত সরকারে থেকে এই প্রথম এত বড় চ্যালেঞ্জ নিলেন তিনি৷ তবে যথারীতি সামরিক আইনপ্রণেতারা এই প্রস্তাবের কঠোর বিরোধিতা করেছেন৷ প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান জানাতে তাঁরা বেশ কয়েক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিবাদ জানান৷
২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর নিপীড়নের কারণে মিয়ানমার সরকার কঠোর আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে রয়েছে৷ ২০১৭ সালে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা৷  আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বরাবরই রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন-নিপীড়নের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কঠোর সমালোচনা করেআসছে৷

সংবিধানে সেনাবাহিনীর জন্য সংসদে ২৫ শতাংশ আসন বরাদ্দের কথা বলা আছে৷ পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতেও সেনা সদস্যদের নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে৷

সংবিধানে পরিবর্তন আনতে হলে ৭৫ শতাংশের বেশি সংসদ সদস্যের ভোট প্রয়োজন৷ সেক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর সাংসদরা পরিবর্তনের বিপক্ষে ভোট দিলে প্রস্তাবটি পাস হতে পারবে না৷

মঙ্গলবার প্রস্তাবটি নিয়ে পার্লামেন্টে বিতর্ক হয়৷ এনএলডির আইনপ্রণেতারা জানান, সংবিধানের এই ধারা সংশোধনে জনগণের সমর্থন রয়েছে৷

বর্তমান সংবিধানে সু চি'র প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে বাধা রয়েছে৷ কারণ বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী থাকলে সেই ব্যক্তি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না৷ সু চি'র স্বামী ব্রিটিশ ছিলেন এবং তাঁর দুই সন্তানও ব্রিটিশ নাগরিক৷

তবে সংবিধানের কোন ধারাগুলো সংস্কার করা হবে তা এখনও স্পষ্ট করেনি এনএলডি৷

এপিবি/জেডএইচ (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন