সংক্রমণ বেড়ে চলায় জার্মানিতে দুশ্চিন্তা, কড়া পদক্ষেপ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 28.07.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

সংক্রমণ বেড়ে চলায় জার্মানিতে দুশ্চিন্তা, কড়া পদক্ষেপ

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করছে জার্মানি৷ সংক্রমণের হার দ্রুত বেড়ে চলায় সরকার জনসাধারণের উদ্দেশ্যে কড়াকড়ি মেনে চলার ডাক দিয়েছে৷

করোনা সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রাথমিক সাফল্য ম্লান করে দিচ্ছে বেড়ে চলা সংক্রমণের হার৷ আর বিচ্ছিন্ন কিছু জায়গায় নয়, গোটা দেশ জুড়েই বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা৷ তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবার বদলে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে৷ গণ সংক্রমণের কিছু সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে৷ বিশেষ করে দক্ষিণের শোয়েবিশ গ্যমুন্ড শহরে এক শোকসভায় অনেক মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর গোটা এলাকায় সংকট দেখা দিয়েছে৷ এমনকি কয়েকটি শিশুও আক্রান্ত হয়েছে৷

বিশেষ করে গ্রীষ্মের ছুটির মরসুমে অনেক মানুষ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বা অঞ্চলে বেড়াতে গিয়ে ঘরে ফেরার সময়ে করোনাভাইরাস নিয়ে আসছেন, এমন দৃষ্টান্ত বেড়েই চলেছে৷ তাই এই সব মানুষের জন্য বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফেডারেল ও রাজ্য স্তরের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা৷ কিন্তু গত সপ্তাহান্ত থেকে বিমানবন্দরে সেই পরীক্ষা চালু হবার পর সেটি বাধ্যতামূলক না হওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল৷ সোমবার ফেডারেল স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান ঘোষণা করেন, যে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আগত মানুষের জন্য বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে৷ এই পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ভিত্তি স্থির করা হচ্ছে৷ উল্লেখ্য, বর্তমানে জার্মানি মোট ১৩০টি দেশকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে৷ তবে স্পান জানান, দৈনিক ভিত্তিতে সেই তালিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷

জার্মানির সরকারও জনসাধারণের উদ্দেশ্যে করোনা মোকাবিলায় কড়া নিয়ম মেনে চলার ডাক দিয়েছে৷ চ্যান্সেলরের দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হেলগে ব্রাউন বলেন, বেড়ে চলা সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে সবার সামাজিক ব্যবধান, হাত ধোয়া, বদ্ধ জায়গায় মাস্ক পরার মতো কড়া নিয়ম মেনে চলা উচিত৷ তাঁর মতে, এখনো পর্যন্ত জার্মানি করোনা মোকাবিলায় যথেষ্ট সাফল্য দেখিয়েছে৷ আসন্ন হেমন্ত ও শীত কালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে৷

বিমানবন্দর ছাড়াও কিছু রেল স্টেশন ও সড়ক সীমান্তে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ বাভেরিয়ার মুখ্যমন্ত্রী মার্কুস স্যোডার সোমবার ঘোষণা করেন, যে মিউনিখ ও নুরেমবার্গ রেল স্টেশন এবং সীমান্তের তিনটি জায়গায় করোনা পরীক্ষা করা হবে৷ বাভেরিয়া আগেই মরসুমি শ্রমিকদের জন্য করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছিল৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন