সংক্রমণ বাড়ায় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 21.05.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

সংক্রমণ বাড়ায় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউন

কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের পাঁচটি ক্যাম্প অবরুদ্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন ৷ করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এই সিদ্ধান্ত৷ লকডাউন চলাকালে নিজেদের ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের যাতায়াত নিষেধ৷

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দৌজা নয়ন জানান, শুক্রবার থেকে উখিয়া ও টেকনাফের এ পাঁচ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউনের বিধিনিষেধ কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে৷ " চিকিৎসা ও খাদ্যসহ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সব ধরনের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে৷'' 

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অবরুদ্ধ ক্যাম্পগুলোতে দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোর কার্যক্রমও সীমিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে৷ ‘লকড ডাউন' ঘোষণা করা হয়েছে উখিয়ার ২- ডব্লিউ, ৩, ৪, ১৫ এবং টেকনাফের ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে৷

সামছু-দৌজা বলেন, মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সংক্রমণের  হার বেড়েই চলেছে, যা গতবছরের প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে আশঙ্কাজনক৷

"এ প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বেশি থাকা ক্যাম্পগুলোতে লকডাউন জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷''

প্রশাসনসহ রোহিঙ্গাদের সেবায় নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোকে করণীয় সম্পর্কে জানানো হয়েছে ৷ কক্সবাজার, টেকনাফ আর উখিয়ায় ৩৪টি ক্যাম্প মিলিয়ে মোট সাড়ে ৬ হাজার একর জমিতে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা গাদাগাদি করে বসবাস করছে৷ সেখানে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকানো না গেলে পরিস্থিতি যে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেবে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে এমন উদ্বেগ ছিল৷

বাংলাদেশে গতবছর মার্চের ৮ তারিখ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার ৩৭ দিনের মাথায় কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো একজন রোহিঙ্গার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে ৷

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের স্বাস্থ্য বিষয়ক শাখার সমন্বয়ক ডা. তোহা ভূঁইয়ার তথ্য মতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে এ পর্যন্ত  মোট ৮৬৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১৩ জন মারা গেছেন ৷ এ পর্যন্ত ক্যাম্পগুলোতে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪১ হাজার ৪৭৭ জনের ৷ আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৬৩৯ জন৷ আইসোলেশনে রয়েছে ২১১ জন ৷  গত ৩-৪ মাস ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোসহ কক্সবাজার জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের হার গত এক বছরের তুলনায় বেশি বলে জানান তোহা৷

এনএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

 

 

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়