সংকটপূর্ণ এলাকায় জার্মানির অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে | বিশ্ব | DW | 24.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

সংকটপূর্ণ এলাকায় জার্মানির অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে

জার্মানিতে সরকার গড়ার উদ্যোগের মাঝেই অস্ত্র রপ্তানি নিয়ে কিছু তথ্য নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে৷ বিগত মহাজোট সরকারের আমলে সার্বিকভাবে অস্ত্র রপ্তানি কমলেও সংকটপূর্ণ এলাকায় তার পরিমাণ বেড়েছে৷

জার্মানির সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি দল নীতিগতভাবে বিদেশে অস্ত্র বিক্রির ব্যবসায় রাশ টানার পক্ষে৷ ২০১৩ সালেই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই নীতি কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিল৷ বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ন্যাটো ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সহযোগী দেশ ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য সংকটপূর্ণ অঞ্চলে অস্ত্র সরবরাহের প্রশ্নে সেই সংশয়ের মাত্রা আরও বেশি৷ অথচ গত ৪ বছরে মহাজোট সরকার তার আগের সরকারের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি অস্ত্র রপ্তানি অনুমোদন করেছে৷ বিশেষ করে সহযোগী নয় এমন দেশে অস্ত্র রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে৷ তবে সামগ্রিকভাবে অস্ত্র রপ্তানি ৬ দশমিক ৩ শতাংশ কমে গেছে৷

সরকার গড়ার আলোচনার প্রস্তুতিপর্বে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ নিয়ে জল্পনাকল্পনা চলছে৷ জার্মানির বামপন্থি দল ‘ডি লিংকে' অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের কাছে অস্ত্র রপ্তানি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছিল৷ সেই তথ্যই এআরডি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও সংবাদ সংস্থা ডিপিএ-র হাতে আসে৷

নতুন মহাজোট গড়ার পথে এসপিডি ও ইউনিয়ন শিবির আগেই অস্ত্র রপ্তানির ক্ষেত্রে রাশ টানার প্রশ্নে ঐকমত্যে পৌঁছেছে, যদিও বিষয়টি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়৷ নতুন তথ্য-পরিসংখ্যান প্রকাশের ফলে তাদের উপর চাপ আরও বেড়ে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে৷

বিশ্বের বিভিন্ন চলমান সংকটে জার্মানির অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়৷ সেই প্রেক্ষাপটে এসপিডি দল ইয়েমেন যুদ্ধে জড়িত সব দেশে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ করতে সমর্থ হয়েছে৷

তা সত্ত্বেও মিশর, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০১৭ সালে জার্মান অস্ত্র আমদানির সেরা ১০টি দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে৷ বিশেষ করে ইয়েমেনে সৌদি আরবের সামরিক তৎপরতার পরিপ্রেক্ষিতে সে দেশকে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিতর্কিত৷ তাছাড়া এই দেশগুলিতে লাগাতার মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাও সমালোচনার আরেকটি কারণ৷

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন