শ্রীলঙ্কায় ‘মুখ ঢাকা′ নিষিদ্ধ | বিশ্ব | DW | 29.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

শ্রীলঙ্কা

শ্রীলঙ্কায় ‘মুখ ঢাকা' নিষিদ্ধ

ইস্টারে গীর্জা ও হোটেলে হামলায় আড়াই শতাধিক মানুষ নিহতের এক সপ্তাহের মাথায় প্রকাশ্যে ‘মুখ ঢাকা' নিষিদ্ধ করে শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষ৷ এর ফলে বোরকা ও নেকাব পরতে পারবেন না মুসলিম নারীরা৷

রোববার এক ঘোষণায় জরুরি আইনের ক্ষমতাবলে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মৈত্রিপালা সিরিসেনা৷ সোমবার থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে৷

প্রেসিডেন্টের দপ্তরে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই নিষেধজ্ঞা... কেউই এমনভাবে মুখ ঢাকতে পারবেন না, যা পরিচয় গোপন করে৷''

ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার গীর্জা ও হোটেলে হামলায় ২৫৩ জন নিহত এবং শত শত লোক আহত হন৷ এই হামলার ‘দায় স্বীকার' করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)৷

হামলার পর জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে সারাদেশে জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি৷ কয়েক ডজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে ওই অভিযানে৷ এর মধ্যে শুক্রবার রাতে সন্দেহভাজন ইসলামী জঙ্গি আস্তানায় একটি অভিযান শেষে ১৫টি মৃতদেহ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ৷

এর আগে জরুরি আইনের ক্ষমতাবলে শনিবার এনটিজে এবং জামাতে মিল্লাতু ইব্রাহিম (জেএমআই) নামে দু'টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট৷

২১ মিলিয়ন মানুষের বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ শ্রীলঙ্কায় ১০ শতাংশের মতো মুসলিম জনগোষ্ঠী বসবাস করেন৷ তাদের অধিকাংশই ‘মডারেট মুসলিম' হলেও বোরকা বা নিকাব পরেন কেউ কেউ৷

হামলার পর গত সপ্তাহে নিরাপত্তার স্বার্থে বোরকা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান শ্রীলঙ্কার একজন সংসদ সদস্য৷ এদিকে, শ্রীলঙ্কার মুসলিম পণ্ডিতদের সংগঠন ‘অল সিলোন জামিয়াতুল উলামা'-ও মুসলিমদের মুখ না ঢাকার আহ্বান জানিয়েছে বলে ইন্ডিয়া টুডে'র এক খবরে বলা হয়৷

যেসব এলাকায় হামলা হয়েছিল তার একটি নিগম্বো থেকে প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কায় বহু মুসলমান এলাকা ত্যাগ করেছেন বলে খবর দিয়েছে বিবিসি৷ সেখানকার আহমদীয়া সম্প্রদায়ের অনেকে এই হামলার শিকার হচ্ছেন বলে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহেও স্বীকার করেছেন৷

এমবি/এসিবি (ডিপিএ, এপি, এএফপি, বিবিসি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন