শোকে বিহ্বল মস্কোর মানুষ | বিশ্ব | DW | 30.03.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

শোকে বিহ্বল মস্কোর মানুষ

শোকের ছায়া এখন মস্কোতে৷ জোড়া আত্মঘাতী বোমা হামলার আহত একজন আজ সকালে মারা গেছে৷ ফলে মেট্রো স্টেশনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৩৯ জনে৷ আহত অনেকের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলেই চিকিৎসকদের বক্তব্য৷

default

শোকে বিহ্বল মানুষ নিহতদের স্মরণ করছে মোমবাতি জ্বালিয়ে

রাজধানী মস্কোতে সকল সরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা আজ উড়েছে অর্ধনমিত অবস্থায়, নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা জানাতেই এই কর্মসুচি৷সরকারি-বেসরকারি রেডিও ও টেলিভিশনে নিয়মিত সকল আনন্দানুষ্ঠান প্রচার বন্ধ রাখা হয়েছে, প্রচার বন্ধ ছিল বিজ্ঞাপনেরও৷ গির্জাগুলো আয়োজন করেছিল বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের৷ চারিদিকে মানুষ শোকে বিহ্বল৷

সোমবার শোকের এই দিনের প্রথমভাগে জোড়া বোমা হামলা হয় যেখানে, সেখানে নিহতদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ৷ ছয় বছরের মধ্যে প্রথম এত বড় ধরণের হামলা হল৷ এর পেছনে যারা রয়েছে, তিনি সেই সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন৷ বলেছেন, এটা একটা কাপুরুষিত হামলা৷ এ ধরণের আর কোন সন্ত্রাসী হামলা যেন না ঘটে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ৷ এরপরই তিনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক বিবৃতি দিয়েছেন৷ সেখানে স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছেন, সন্ত্রাসী ঘটনার সুষ্ঠু মোকাবিলায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করা হচ্ছে৷

রুশ প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুটিন মস্কোর বিস্ফোরণেরকান্ডের সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের সমূলে উৎখাত করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন৷

ইতিমধ্যেই সোমবারের এই জোড়া আত্মঘাতী বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহভাজন দুই মহিলা এবং এক পুরুষকে খুঁজছে নিরাপত্তা বাহিনী৷ পুলিশের সন্দেহ এই হামলার পিছনে রয়েছে উত্তর ককেশাসের ইসলামী চরমপন্থি দলগুলো৷ অবশ্য রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মনে করছেন, মস্কোর মেট্রো স্টেশনে সোমবারের দুটি আত্মঘাতী বোমা হামলায় আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে থাকা জঙ্গিদের সহায়তা থাকতে পারে৷ লাভরভ সরাসরি আল-কায়েদা জঙ্গি গোষ্ঠার নাম উল্লেখ করেননি৷ তবে তিনি বলেন, আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে সক্রিয় জঙ্গিদের সঙ্গে বোমা হামলাকারীদের যোগ থাকতে পারে৷

লাভরভকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এ ঘটনার পিছনে কি অন্য কোন দেশের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে? এর জবাবটা অবশ্য তিনি দিয়েছেন বেশ কৌশলেই৷ বলেছেন, এ বিষয়টি আমি একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছি না৷ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আফগান-পাকিস্তান সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে সন্ত্রাসীদের শক্ত ঘাঁটি আছে৷ ওখানে অনেক লোকই হামলার ছক কষতে ব্যস্ত রয়েছে৷ এটা শুধু আফগানিস্তানেই ঘটছে এমন নয়, কখনও কখনও তার চিহ্নরেখা পৌঁছে যাচ্ছে ককেশাস অঞ্চল পর্যন্ত৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়