শেষ মুহূর্তের গোলে মান বাঁচলো জার্মানির | খেলাধুলা | DW | 23.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ফুটবল

শেষ মুহূর্তের গোলে মান বাঁচলো জার্মানির

এই ম্যাচ ড্র করলে বিদায় ঘণ্টা শুনতে পেতো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা৷ শেষ মুহূর্তে টোনি ক্রুসের গোলে আশা বাঁচিয়ে রাখলো ডি মানশাফট৷

এর আগের ১১ দেখাতেই সুইডেনের বিপক্ষে অপরাজিত ছিলো জার্মানি৷ এর মধ্যে ৬ ম্যাচে জয়, আর ৫ ম্যাচে ড্র৷ জার্মানির বিপক্ষে সুইডেনের সবশেষ জয় এসেছিল সেই ১৯৭৮ সালে৷

জার্মান দলের ডিফেন্স যে কতটা নড়বড়ে, খেলা শুরু সাথে সাথেই তা স্পষ্ট হতে থাকে৷ কিন্তু সুইডিশ স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় বড় কোন অঘটনের হাত থেকে বেঁচে যান জার্মান খেলোয়াড়েরা৷

কিন্তু খেলার ৩২ মিনিটে আর সুইডেনকে ঠেকিয়ে রাখা যায়নি৷ ক্লায়েসনের তুলে দেয়া বল বুক দিয়ে ঠেকিয়ে গোলকিপার নয়্যারের ওপর দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন ওলা টোইভনেন৷

প্রথমার্ধে অনেক চেষ্টা করেও আর গোল শোধ দিতে পারেনি জার্মানরা৷ তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতা ফেরান মার্কো রয়েস৷ ৪৮ মিনিটে ডিবক্সে অসাধারণ কেরামতিতে সুইডিশ ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে বল পাঠান প্রতিপক্ষের জালে৷

এরপর বল দখলে মরিয়া হয়ে পড়ে দুই পক্ষই৷ আর হবেই না বা কেন! এই ম্যাচ জিতলেই যে মোটামুটি শেষ ষোলর টিকেট নিশ্চিত৷ ফলে ৫২ মিনিটে সুইডেনের আলবিন একডাল এবং ৭১ মিনিটে জার্মানির জেরোমে বোয়াটেংকে দেখতে হয় হলুদ কার্ড৷

৮২ মিনিটে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে পেছন থেকে ট্যাকল করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন বোয়াটেং৷ ফলে জার্মানি পরিণত হয় ১০ জনের দলে৷

৯০ মিনিটের খেলা শেষ৷ ড্র তখন প্রায় নিশ্চিত৷ ঠিক তখনই অতিরিক্ত সময়ে ৯৫ মিনিটে টোনি ক্রুসের জাদু৷ দারুণ এক বাঁকানো শটে গোল বারের গা ঘেঁষে বল ঢুকে যায় জালে৷ গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়লেও, শেষমেষ কিছুই করার ছিল না তাঁর৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বেলজিয়াম-টিউনিশিয়া

৯০ মিনিটের কিছু বেশি সময়৷ মাঠে টিউনিশিয়াকে নিয়ে রীতিমতো খেললো বেলজিয়াম৷ ৫-২ গোলের জয়ে শেষ ষোলতে ওঠার পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল বেলজিয়াম৷

এক ম্যাচেই ৭ গোল! স্পেন-পর্তুগালের ম্যাচ শেষ হয়েছিল ৩-৩ সমতায়৷ তবে বেলজিয়াম-টিউনিশিয়া ম্যাচে এলো ফলাফল, দুই দল মিলিয়ে এলো সাত সাতটি গোল৷

চতুর্থবারের মতো দেখা দুই দলের৷ এর আগের তিনবারের মোকাবেলায় একবার করে অপরকে হারিয়েছে দু'দলই৷ ড্র হয়েছে অপর ম্যাচ৷

ফলে মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামের এই ম্যাচ নিয়েছিল অনেকটাই টাইব্রেকারের ভূমিকা৷ ফলাফল, স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে বেলজিয়াম৷

খেলা শুরু মাত্র ৬ মিনিটেই ডিবক্সে এডেন আজারকে ফাউল করে বসেন টিউনিশিয়ার সিয়াম বেন ইউসুফ৷ পেনাল্টি থেকে বেলজিয়ামকে লিড এনে দেন আজার৷

এরপরও সতর্ক হননি টিউনিশি ডিফেন্ডাররা৷ বিপজ্জনক ট্যাকল করায় ১৪ মিনিটে ফেরিয়ানি সাসিকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি৷

১৬ মিনিটেই আবার গোল৷ এবারের নায়ক রোমেলু লুকাকু৷ সিয়াম বেন ইউসুফের পায়ের নীচ দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন টিউনিশিয়ার জালে৷ ম্যাচ পরিণত হয় ২-০ তে৷

তবে খুবই দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে টিউনিশিয়া৷ বেলজিয়ামের সমর্থকেরা যখন দ্বিতীয় গোল উদযাপনে ব্যস্ত, তখন ১৮ মিনিটের মাথায় গোল করে বসে টিউনিশিয়া৷ কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই খাজরির ফ্রি কিক থেকে বেলজিয়ামের জালে বল পাঠিয়ে দেন ডিলান ব্রোন৷

এক গোল শোধ করে উজ্জ্বীবিত হয়ে ওঠে টিউনিশিয়া৷ কিন্তু আক্রমণ থামিয়ে রাখেনি বেলজিয়ামও৷ প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে, ৪৮ মিনিটে ময়নিয়ারের বাড়ানো বল টিউনিস গোলকিপারের মাথার ওপরে দিয়ে পোস্টে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন লুকাকু৷

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ৫১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোল করেন আজার৷

দূর থেকে আসা বল বুক দিয়ে রিসিভ করে প্রতিপক্ষের দুই সেন্টার-হাফকে দৌঁড়ে পরাজিত করেন আজার৷ গোল বাঁচাতে এগিয়ে আসা গোলকিপারকেও ফাঁকি দেন বাঁ পায়ের আলতো টোকায়৷ এরপর সামনে ছিল খালি গোলপোস্ট৷ বিন্দুমাত্র ভুল করেননি আজার৷ স্কোর তখন ৪-১৷

৬৮ মিনিটে আজারকে নামিয়ে মাঠে পাঠানো হয় মিচি বাতসুয়াইকে৷ ঠিক ৯০ মিনিটে উঁচু হয়ে আসা বলে নিখুঁতভাবে পা ছুঁইয়ে স্কোর পরিণত করেন ৫-১ এ৷

৯৩ মিনিটে কিছুটা সান্ত্বনা খুঁজে নেয় টিউনিশিয়া৷ অতিরিক্ত সময়ে বেলজিয়ান ডিফেন্সের ঢিলেঢালা ভাবকে কাজে লাগিয়ে গোল করেন ওয়াহবি খাজরি৷

এই জয়ের ফলে গ্রুপ জি থেকে শেষ ষোলতে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত করলো বেলজিয়াম৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়