শেখ হাসিনার সোয়া দুই লাখ, প্রতিদ্বন্দ্বীর ১২৩ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 30.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার সোয়া দুই লাখ, প্রতিদ্বন্দ্বীর ১২৩

সবশেষ পাওয়া ফল– আওয়ামী লীগ ১৮৬, জাতীয় পার্টি ২২, ঐক্যফ্রন্ট ৬, অন্যান্য ৩৷

সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় পেতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট৷ ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকা প্রায় নিশ্চিত৷

নির্বাচন কমিশন গভীর রাত পর্যন্ত ২১৭ আসনের ফল ঘোষণা করেছে৷ আওয়ামী লীগ ও জোট শরিকরা নৌকা প্রতীকে পেয়েছে ১৮৬ আসন৷ দলটির জোট-শরিক জাতীয় পার্টি জয় পেয়েছে ২২টিতে৷

ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এ পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেছে কেবল ছয়টি আসনে৷ আরো তিনটি আসনে জিতেছেন অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা৷

অন্যান্য যেসব আসনের আংশিক ফল সংবাদ মাধ্যমে আসছে, তাতেও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিপুল বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

শেখ হাসিনা বনাম ১২৩

টুঙ্গীপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷

আসনের ১০৮টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই জয় পেয়েছেন শেখ হাসিনা৷ এই আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫১৪টি৷ এর ৯৩ শতাংশই ভোট দিয়েছেন শেখ হাসিনাকে৷ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন ২ লাখ ২৯ হাজার ৫২৯ ভোট৷

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এস এম জিলানী পেয়েছেন কেবল ১২৩টি ভোট৷

‘প্রহসনেও' জিতলেন মির্জা ফখরুল

নির্বাচনের নামে ‘নিষ্ঠুর প্রহসন' করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷ কিন্তু বগুড়া-৬ আসনে বিপুল বিজয় পেয়েছেন ধানের শীষে৷ বগুড়া সদর আসনটিতে তিনি পেয়েছেন, দুই লাখ পাঁচ হাজার ৯৮৭ ভোট ৷ তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির নূরুল ইসলাম ওমর পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৬১ ভোট৷

প্রচারে না গিয়েও জয়ী এরশাদ

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থনে ঢাকা-১৭ আসন ছেড়ে দিলেও রংপুর-৩ আসনে জয় পেয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রচারে যাননি তিনি, দেননি নিজের ভোটও৷ তবে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে ইভিএমের আসনটিতে লাঙ্গল প্রতীকে এরশাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ভোট৷ নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট৷

ধরাশায়ী ‘সিংহ' হিরো আলম

কাহালু ও নন্দীগ্রাম নিয়ে গঠিত বগুড়া-৪ আসনে ধরাশায়ী হয়েছেন সিংহ মার্কার আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম৷ তিনি পেয়েছেন ৬৩৮ ভোট৷ অবশ্য নির্বাচন চলাকালেই কারচুপি ও পোলিং এজেন্টদের মারধরের প্রতিবাদ জানিয়ে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেন তিনি৷

আসনটিতে বিএনপির মোশারফ হোসেন এক লাখ ২৬ হাজার ৭২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন৷ তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের (ইনু) এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৬৭৯ ভোট৷

এডিকে/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন