শিশুদের যৌন নির্যাতনের সাথে জড়িত পেনসিলভানিয়ার পাদ্রীরা | বিশ্ব | DW | 15.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

শিশুদের যৌন নির্যাতনের সাথে জড়িত পেনসিলভানিয়ার পাদ্রীরা

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার বিভিন্ন চার্চের পাদ্রীদের দ্বারা শিশুদের যৌন নির্যাতনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে৷ তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে৷

রাজ্যটির গ্র্যান্ড জুরির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্যাতনের শিকার শিশুদের অধিকাংশই ছেলে৷ তাদের ধর্ষণ করা সহ নানা ধরণের যৌন অত্যাচার করা হয়েছে৷ নির্যাতনের শিকার হওয়া অনেক শিশুই পরবর্তীতে মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েছে৷ কেউ কেউ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে এবং এদের অনেকেই আত্মহত্যা করেছে বলে প্রতিবেদনটি জানিয়েছে৷ 

প্রতিবেদনটি তিনশ'র বেশি পাদ্রীর বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের এ তথ্য প্রকাশ করেছে৷ কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত মাত্র দু'জন পাদ্রীকে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগের আওতায় এনেছে৷ পেনসিলভানিয়া রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল জোশ শাপিরু গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান৷

ভুক্তভোগী, প্রত্যক্ষদর্শী ও রাজ্যটির বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত চার্চের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়৷

এদিকে গ্র্যান্ড জুরি ধারণা করছেন, নির্যাতনের শিকার হওয়া শিশুর সংখ্যা কয়েক হাজার৷ এদের মধ্যে অনেক শিশু এ বিষয়ে পরবর্তীতে কোন অভিযোগ দায়ের করেনি কিংবা এ বিষয়ে কোন কথা বলতে আগ্রহী নয়, যে কারণে প্রকৃত সংখ্যা জানা যায়নি৷

ভিডিও দেখুন 01:59

Pope Francis asks Chileans for forgiveness after scandals

সংবাদ সম্মেলনে শাপিরু জানান, চার্চ কর্তৃপক্ষ নির্যাতনের শিকার হওয়া এ শিশুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াত৷ আক্রান্ত এ শিশুদের সুরক্ষা দেয়ার পরিবর্তে তারা নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিল বলে জানান তিনি৷    

এদিকে তালিকায় নাম আসা কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক পাদ্রী তদন্ত প্রতিবেদনটির প্রকাশ ঠেকানোর জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন৷ তাদের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদনটি পাদ্রীদের সাংবিধানিক অধিকারকে খর্ব করা সহ তাদের সামাজিক মান মর্যাদায় আঘাত হানবে৷ তবে আদালত পাদ্রীদের এ আবেদন নাকচ করে দিয়ে বলেন ‘‘কি ঘটছে তা সকলের জানা উচিত৷''           

এদিকে তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়া অনেক পাদ্রী'ই আর বেঁচে নেই৷ তাছাড়া নির্যাতনের ঘটনাগুলোও অনেক আগের যে কারণে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পাদ্রীদের বিচারের আওতায় আনা ততটা সহজ হবে না বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষ৷

আর আর/এসিবি(এএফপি, ডিপিএ, এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন