‘‘শিগগিরই মন্ত্রিসভার সদস্যরা পদত্যাগ করবেন’’ | বিশ্ব | DW | 02.11.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘‘শিগগিরই মন্ত্রিসভার সদস্যরা পদত্যাগ করবেন’’

সর্বদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার৷ তবে আলোচনার দরজাও খোলা রাখার কথা বলা হচ্ছে৷ বর্তমান মন্ত্রিসভা প্রস্তুতি নিচ্ছে পদত্যাগের৷ আর বিএনপি আন্দোলনে মনোযোগী হচ্ছে৷

Mr Suranjit Sengupta resigns as Railways minister of Bangladesh on April 16, 2012.

দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ সিপিবি এবং বাসদের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠক করেছেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির সঙ্গে৷ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সম্মতি দিয়েছে বলে জানা গেছে৷ তবে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এই বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেন নি৷ তিনি বলেছেন, ‘‘নির্বাচন বর্জনের কোন আলাপ হয়নি৷''

এর আগে এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেও তারা নির্বাচনের অংশ নেয়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি৷ দলটি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ভিতরে ভিতরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে৷ শেখ হাসিনা গত শুক্রবার বলেছেন, ‘‘যেসব দল সংসদে প্রতিনিধিত্ব করে তাদের নিয়েই সর্বদলীয় সরকার গঠন হবে৷ বিএনপি যদি সর্বদলীয় সরকারে না আসে নির্বাচন থেকে দূরে থাকে তাহলে সর্বদলীয় সরকারে জাতীয় পার্টি ভাল একটি অংশ পাবে৷''

এদিকে শনিবার দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘‘সর্বদলীয় সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে শিগগিরই বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যরা পদত্যাগ করবেন৷'' তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেয়ার পরপরই অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের কাজ শুরু হবে৷ সেক্ষেত্রে বিরোধী দল যদি এই সরকারে অংশ নিতে চায় তারা নাম পাঠাতে পারে৷ কোন কোন মন্ত্রণালয় নিতে চায় তাও বলতে পারে৷ এসব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে৷

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন খুব দ্রুতই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে৷ আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরই নির্বাচনী কাজ শুরু হয়ে যাবে৷

তবে সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করলেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি আন্দোলনের দিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে৷ তারা আগামী সোমবার থেকে তিন দিনের হরতাল কর্মসূচি দিয়েছে৷ গত সপ্তাহে তিন দিনের হরতালের পর এবার অবরোধের কথা শোনা গেলেও বিরোধী দল কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে৷ তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত এই ধরনের কর্মসূচিই চলবে৷ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে টানা কর্মসূচি দিয়ে তারা সরকারের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য৷

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘সরকার সংলাপের নামে নাটক করেছে৷ তারা আসলে একতরফা নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছে৷ কিন্তু বাংলাদেশে কোন একতরফা নির্বাচন হতে দেয়া হবেনা৷ জনগণকে সাথে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে৷ আর নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়