শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ১২ সেপ্টেম্বর | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 03.09.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ১২ সেপ্টেম্বর

মহামারির কারণে গত দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি৷

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আগের ঘোষণা অনুযায়ী এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাও নেওয়া হবে৷ শুক্রবার চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন শেষে এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘১২ সেপ্টম্বর থেকেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারবো৷ স্কুল-কলেজগুলো খোলার জন্য আমরা আগেই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি৷''

করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে গত বছরের ১৭ মার্চ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় শিক্ষার্থদের এসএসসি ও জেএসসির ফলাফলের গড় করে মূল্যায়ন ফল প্রকাশ করা হয়৷ তার ভিত্তিতেই তাদের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হচ্ছে৷ স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও আগের রোলে পরের ক্লাসে তুলে দেওয়া হয়৷

গত দেড় বছর ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা হলেও তাতে শিক্ষা কতটা হচ্ছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন রয়েছে৷ এমন পরিস্থিতিতে এ বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরাও দুশ্চিন্তায় ছিল৷

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "আগের ঘোষণা অনুযায়ী পরীক্ষা হবে৷ অর্থাৎ, নভেম্বরের মাঝামাঝি এসএসসি এবং ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে৷''

সর্বশেষ ২৬ আগস্ট এক ঘোষণায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়৷ সেই ছুটি আর বাড়ানো হবে না বলে বিডিনিউজকে জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের৷ শিক্ষামন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তিনিও এখন চাঁদপুরে আছেন৷

দ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে নানা মহলের চাপের মধ্যে গত সপ্তাহে শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হয়৷ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্কুল-কলেজ দ্রুত খুলে দেওয়ার সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন৷

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ সেপ্টেম্বরকে আমরা নির্ধারণ করেছি৷ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া চলমান থাকবে৷''

তিনি আরো জানান, ইতোমধ্যে ‘বেশিরভাগ' শিক্ষক করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন৷ ভবিষ্যতে ১২ বছরের বেশি বয়সি শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার৷

বৃহস্পতিবার রাতে কোভিড প্রতিরোধ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির বৈঠকেও স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়ার পক্ষে মত দেওয়া হয়৷

কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ পরে বলেন, "আমরা মনে করছি যে দীর্ঘ ১৭ মাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল, এটা আমাদের করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবেলায় ভালো কাজ করেছে৷ এখন সবদিক বিবেচনা করে আমার মনে হয় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়া যেতে পারে৷'' 

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সারাবিশ্বে যে জনস্বাস্থ্যবিধি চালু আছে সেগুলোকে বাংলাদেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মনে করেন তিনি৷

এনএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়