শহুরে জীবন চাপে ফেলছে মানব মস্তিষ্ককে | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 23.06.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞান পরিবেশ

শহুরে জীবন চাপে ফেলছে মানব মস্তিষ্ককে

শহরটার এই গোলোকধাঁধাঁয় অবাক হল মন..৷ বহু পুরানো বাংলা সিনেমার এক গানের কলি৷ তবে কথাটা বড় সত্যি৷ বিজ্ঞান বলছে, শহরে যারা বাস করে তারা সবসময় মানসিক চাপের মধ্য থাকে৷ শহরই তৈরি করে সেই চাপ৷

ট্র্যাফিক জ্যাম মস্তিষ্ককে চাপ আর অবসাদের দিকে নিয়ে যায়

ট্র্যাফিক জ্যাম মস্তিষ্ককে চাপ আর অবসাদের দিকে নিয়ে যায়

কথাটা নতুন কিছু নয়৷ শহরের বাসিন্দা হলে যে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়, সে তো সবাই জানে৷ কিন্তু বিজ্ঞান তারপরেও ব্যাপারটার পিছু ছাড়েনি৷ চালিয়েছে একটা গ্রহণযোগ্য সমীক্ষা৷ আর সেই সমীক্ষা বলছে, আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিটি ছোটখাটো ওঠাপড়াতেই সাড়া দেয়৷ কীরকম?

শহরে নিত্য নৈমিত্তিক যে বিষয়গুলি নাগরিক মস্তিষ্কের ওপর চাপ ফেলছে, সেগুলো হল প্রথমেই ট্রাফিক বা যানবনাহনের জ্যাম, ভিড়, শব্দ, দেরি করে আসা বা না আসা, ইত্যাদি৷ এরপর রয়েছে শহরে প্রতিদিনই কিছু না কিছু অপরাধমূলক ঘটনার ঘনঘটা৷ যাকিনা আমাদের মস্তিষ্কের অবসাদের কারণ হয়, অবচেতন মনে জন্ম দেয় অপরাধের শিকার হওয়ার আতঙ্ক৷ তার থেকে অবসাদ অবশ্যম্ভাবী৷ আর আছে বেশ চটপটে হতে পারা বা না পারার বিযয়টিও৷ অত্যন্ত জরুরি ভিত্তির সময়ানুবর্তিতা তো অবশ্যই অন্যতম একটি কারণ৷ যার থেকে মস্তিষ্ক অবসাদের শিকার হতে পারে এবং হয়ও৷

দ্য জার্নাল নেচার পত্রিকার এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল গ্রাম, আধা শহর, ছোট শহর আর অবশ্যই বড় শহরগুলির বাসিন্দাদের মধ্যে৷ দেখা গেছে, বড় শহরের বাসিন্দারা ছোট শহর বা গ্রামের বাসিন্দাদের অনুপাতে ২১ শতাংশ হারে বেশি পরিমাণে মানসিক অবসাদ আর চাপের দ্বারা উদ্ভূত নানারকমের রোগের শিকার হয়ে থাকেন৷ মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অংশে ক্রমাগত সঞ্চিত হতে থাকা সেই চাপের ফলে বিবিধ শারীরিক অসুবিধা দেখা দিতে পারে এবং দেয়ও৷ আর শহর তার উত্তেজক জীবনযাত্রার স্বাদ দেওয়ার পাশাপাশি এইসব অতিরিক্ত রোগের সম্ভাবনাও নিত্যনিয়ত তার নাগরিকদের দিয়ে চলেছে৷

তবুও গ্রাম বা ছোট শহর বা মফস্বল থেকে বড় শহরে নানান কারণে মানুষের অবিরত আসার হার কিন্তু এরপরেও কমছে না৷ একবার শহরে থাকার সুযোগ পেলে কেই বা আর গ্রামে ফিরতে চায়? তা সে মস্তিষ্ক যতই চাপের শিকার হোক না কেন!

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

সংশ্লিষ্ট বিষয়