শহীদুলের মুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রীর বোনঝি টিউলিপ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 28.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্য

শহীদুলের মুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রীর বোনঝি টিউলিপ

প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের মুক্তি চেয়েছেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য টিউলিপ সিদ্দিক৷ তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোনঝি৷ লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ বলেছেন, এই গ্রেপ্তার পীড়াদায়ক৷

মঙ্গলবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম ‘দ্য টাইমস'-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এক সদস্য, যিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোনঝি, তিনি গ্রেপ্তার হওয়া ফটোসাংবাদিক এবং শিল্পী শহীদুল আলমের মুক্তি চেয়েছেন৷ শহীদুল আলম নিয়মিত যুক্তরাজ্যে তাঁর ছবির প্রদর্শন করতেন বলেও জানানো হয়েছে সেখানে৷ 

হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্নের লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ বলেছেন, ‘‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক শহীদুল আলমের গ্রেপ্তার পীড়াদায়ক এবং এর অবসান হওয়া উচিত৷ দেশের মানুষের বিচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা উচিত৷ আমি আশা করি, বন্ধুরাষ্ট্র বিবেচনায় ব্রিটেনের পররাষ্ট্র দপ্তর এ ব্যাপারে বাংলাদেশের কাছে দৃঢ় বার্তা পাঠাবে৷''

শহীদুল আলমকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে এরই মধ্যে সারা পৃথিবী থেকে নোবেল বিজয়ী, চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রী, লেখক, শিল্পী ও ব্যবসায়ীরা সরব হয়েছেন৷ এবার টিউলিপ সিদ্দিকও তাদের সঙ্গে গলা মেলালেন৷

দ্য টাইমসের খবরে আরও বলা হয়, গত সপ্তাহে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন অবিলম্বে শহীদুলের মুক্তি দাবি করেছেন৷ এছাড়া স্যার রিচার্ড ব্র্যানসন, শ্যারন স্টোন, রিচার্ড কার্টিস, আর্চ বিশপ ডেসমন্ড টুটুসহ আরো অনেকেই মুক্তি চেয়েছেন এই প্রখ্যাত আলোকচিত্রীর

শহীদুলে বিরুদ্ধে অভিযোগ

শহীদুলের বিরুদ্ধে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা ও সামাজিক গণমাধ্যমে ‘অসত্য ও উসকানিমূলক' তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে৷ বিতর্কিত তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ৷ নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় গত ৫ আগস্ট তাঁকে ধানমণ্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়৷ এরপর পুলিশ তাঁর দশ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন৷ পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগও আনেন ৬৩ বছর বয়সি এই প্রথিতযশা ফটোগ্রাফার৷ এরপর ১২ আগস্ট আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন৷

এপিবি/এসিবি (দ্য টাইমস)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন