শহর রক্ষায় বার্লিন, ব্যাংকক যা করছে | বিশ্ব | DW | 09.02.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

শহর রক্ষায় বার্লিন, ব্যাংকক যা করছে

থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, জার্মানির বার্লিনের মতো শহরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে৷ বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ২০৫০ সাল নাগাদ ব্যাংকক তলিয়ে যেতে পারে৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে শহর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করছে৷

সমুদ্রসীমা থেকে ব্যাংকক মাত্র এক মিটার উঁচুতে অবস্থিত৷ প্রতিবছর সাগরের পানির উচ্চতা পাঁচ মিলিমিটার করে বাড়ছে৷

অ্যালেক্স ফেস ব্যাংককের একজন গ্রাফিতি আর্টিস্ট ও এক সন্তানের বাবা৷ তিনি তার বাড়ির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি এখন বাড়ি বানাচ্ছি৷ অনেক টাকা খরচ হচ্ছে৷ আমি প্রায় ভাবি, একদিনতো সবকিছু পানিতে তলিয়ে যাবে৷ অনেকে বলছেন, এটা নাকি শিগগিরই হবে৷ আগামী ১০ বছরের মধ্যে৷''

ব্যাংককের কিছু অংশ ইতিমধ্যে তলিয়ে গেছে৷ যেমন ২০ কিলোমিটার দক্ষিণের সামুত চিন মন্দির এলাকা৷

জার্মানিতেও সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগ হয়েছে৷ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে, যেমন বার্লিনে৷ তাই ভারী বৃষ্টিপাত হলে পানি ধরে রাখা অনেক সময় সম্ভব হয় না৷ তখন নীচু এলাকায় অবস্থিত ঘরবাড়ির প্রবেশপথ, সাবওয়ে টানেলে পানি ঢুকে যায়৷

জলবায়ু পরিবর্তন: শহর রক্ষায় বার্লিন, ব্যাংককের কৌশল

বার্লিনের পানি ব্যবস্থাপনা অফিসের প্রকৌশলী কারিন জিকার বৃষ্টির পানি ব্যবস্থার নতুন কৌশল নিয়ে কাজ করছেন৷ বার্লিনের নর্দমা ব্যবস্থা অনেকসময় কুলিয়ে উঠতে পারে না৷ তিনি বলেন, ‘‘ভারী বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় পানি ব্যবস্থাপনার সিস্টেমগুলো অনেক সময় পানি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না৷ তখন পানি উপচিয়ে নীচু এলাকা তলিয়ে যায়৷’’

পরিস্থিতি সামাল দিতে বার্লিন ‘স্পঞ্জ সিটি’ হয়ে উঠতে চায়৷ বৃষ্টির পানি স্পঞ্জের মতো শুষে নিতে চায়৷

২০১৭ সাল থেকে বার্লিনের প্রতিটি নতুন ভবন স্পঞ্জ সিটির ধারণা মেনে তৈরি হচ্ছে৷ দক্ষিণপূর্ব বার্লিনের এই আবাসিক এলাকা তেমনই এক উদাহরণ৷

নতুন নির্মাণ কৌশল ও বৃষ্টির পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পারদর্শী একটি সংস্থা ২০১৮ সাল থেকে বার্লিনকে নানা পরামর্শ দিয়ে আসছে৷ এই ব্যবস্থায় বৃষ্টির এক ফোঁটা পানিও নর্দমা ব্যবস্থা পর্যন্ত পৌছায় না বলে জানালেন হানা ক্র্যুগার৷

প্রায় ৯০ শতাংশ বৃষ্টির পানি এভাবে ধরা যায়৷ এই পানি পাইপের মাধ্যমে বিশেষ নর্দমা ব্যবস্থায় চলে যায়৷

ব্যাংককে ফেরা যাক৷ বন্যা সামাল দিতে ব্যাংককও সবুজ ছাদ গড়ে তুলতে চায়৷ বার্লিনের মতো তারাও বৃষ্টির পানি অস্থায়ীভাবে ধরে রাখতে চায় এবং পরে সেটা ভালো কোনো কাজে লাগাতে চায়৷ প্রকৃতিকে কংক্রিটের জঙ্গলে একটা সুযোগ দেয়ার অনেকগুলো উপায়ের মধ্যে এটি একটি মাত্র৷ তবে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, ভবিষ্যতে বন্যা প্রতিরোধের এটি একটি চেষ্টা৷

মারিয়া ইয়েশকে/জেডএইচ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়