শহরের মধ্যেই অভিনব বাগান প্রকল্প | অন্বেষণ | DW | 14.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

শহরের মধ্যেই অভিনব বাগান প্রকল্প

বড় শহরের ঘিঞ্জি পরিবেশে বাগানের সাধ পূরণ করা কঠিন৷ বার্লিনসহ জার্মানির বেশ কিছু শহর অবশ্য আর্বান গার্ডেনিং-এর অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত তুলে ধরছে৷

তাজা পুদিনা পাতা, খাদ্য হিসেবে ফুলের পাপড়ি, ভিজান বা খাঁটি নিরামিষ কেক৷ বার্লিনে হিমেলবেট প্রকল্পের ক্যাফের প্রায় সব উপকরণই নিজস্ব বাগান থেকে আসে৷ জার্মানিতে অসংখ্য শহুরে বাগান প্রকল্পের মধ্যে একটিতে এসব পাওয়া যায়৷ বার্লিনের মতো শহরের মাঝে পরিত্যক্ত জমিতে এমন বাগান ফুলেফেঁপে উঠছে৷ হিমেলবেট প্রকল্পের মাইকে স্টার্ক বলেন, ‘‘এমন পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে শহরে পরিত্যক্ত জমির সদ্ব্যবহারের কাজে আমি অত্যন্ত আগ্রহী৷ আমাদের খাদ্য আসলে কোথা থেকে আসে, আমি তা দেখাতে চাই৷ কী করা সম্ভব, কীভাবে সম্ভব, মানুষকে সেই শিক্ষাও দিতে চাই৷’’

দলবদ্ধভাবে সেই কাজ করতে চান তিনি৷ হিমেলবেটের মতো প্রকল্প মানুষকে পরস্পরের কাছে নিয়ে আসে৷ এটি বার্লিন শহরে সাম্প্রতিকতম আর্বান গার্ডেনগুলির অন্যতম৷

এর মধ্যে ‘প্রিন্সেস গার্ডেন’ গোটা বিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছে৷ কয়েকশ' স্বেচ্ছাসেবী ২০০৯ সালে বার্লিনের ক্রয়েৎসব্যার্গ পাড়ায় এক পরিত্যক্ত জমিতে গাছের চারার বাক্স বসিয়েছিলেন৷ আজ এই প্রকল্পকে গোটা বিশ্বে আদর্শ বাগান হিসেবে গণ্য করা হয়৷ পর্যটকদের ভিড় লেগেই রয়েছে৷ গাইড তাঁদের ঘুরিয়ে দেখান৷ সেখানে প্রায় ৫০০ ধরনের শাক-সবজি ও জড়িবুটি পাওয়া যায়৷ তবে বিষয়টি শুধু বাগান পরিচর্যার মধ্যে সীমিত নয়৷ প্রিন্সেস গার্ডেনের রবার্ট শ বলেন, ‘‘এমন এক জায়গায় শহরের মানুষ তাঁদের আইডিয়া পরীক্ষা করার সুযোগ পান৷ সেই জায়গায় শহরের প্রচলিত নিয়ম খাটে না৷ শহর মানেই তো নিয়মের বেড়াজাল৷ অর্থাৎ এখানে মানুষ বিনা সঙ্কোচে অংশ নিতে পারেন, কিছু করে দেখাতে পারেন৷ জমি বিক্রি করে সেই মূল্য পাওয়া যায় না৷ আর্বান গার্ডেনিং যে কোনো শহরের অংশ হওয়া উচিত বলে আমি বিশ্বাস করি৷’’

গার্ডেন ক্যাফেতে প্রতিদিন এই বাগান ও গোটা অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত শাক-সবজি ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে তৈরি নিরামিষ খাবার পাওয়া যায়৷

ক্রিস্টিনা ডাইকে/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন