শরীয়ত বয়াতির জামিন নয় কেন? | বিশ্ব | DW | 12.02.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

শরীয়ত বয়াতির জামিন নয় কেন?

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার শরিয়ত বয়াতিকে কেন জামিন দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে এর জবাব দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷

শরিয়ত বয়াতির করা জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বুধবার বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরীর বেঞ্চ এ রুল দেয়। বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেছেন আইনজীবী মনিরা হক মনি৷ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল গিয়াস উদ্দিন আহমেদ৷

শরিয়তের আইনজীবী মনিরা হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ''শরিয়ত বয়াতির যে ভিডিওকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, ৫১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের সেই ভিডিওর অনুলিখন আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমরা বলেছি, শরিয়ত বয়াতির ভিডিওটি বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে মামলা করা হয়েছিল।''

তিনি বলেন, "সেখানে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মত কিছু নাই। তাছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৮/২ ধারা তার জন্য প্রয়োজ্য নয়। ফলে তার বিরুদ্ধে এ মামলাই চলে না। এসব যুক্তি উপস্থাপন করে আমরা জামিন চেয়েছিলাম। আদালত রুল জারি করেছে।”

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার ধামরাই উপজেলার রৌহাট্টেক এলাকায় পীর হযরত হেলাল শাহ্ পীরের ১০ম বার্ষিক পালাগানের অনুষ্ঠানে শরিয়ত বয়াতি গানে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।

পরবর্তীতে তার গান ও বক্তব্য ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার বিরুদ্ধে কোরান ও মহানবী হযরত মোহাম্মদকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে বিক্ষোভ শুরু হয়৷ গানের মধ্যে বক্তব্যের মধ্যে এক পর্যায়ে শরীয়ত সরকার বলেন, কোরানে কোথাও গান-বাজনা নিষিদ্ধ করা হয়নি৷ এমনকি কেউ তা প্রমাণ করতে পারলে তাকে ৫০ লাখ টাকা দেয়ার চ্যালেঞ্জও জানান বয়াতি৷

টাঙ্গাইলের মাওলানা ফরিদুল ইসলাম মীর্জাপুর থানায় ডিসেম্বরেই এ মামলা করেন৷

বিতর্কিতআইন

২০১৮ সালে পাস হওয়ার আগে থেকেই এই আইনের নানা দিক ও এর অপব্যবহারের শঙ্কায় বিরোধীতা হয়েছে নানা পক্ষ থেকে৷ বিশেয করে এ আইনকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের বিরুদ্ধে বলে ব্যবহার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়৷ কিন্তু সরকার বরাবরই এসব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছে৷

রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার' এর অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত' এর জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে এই আইনে৷

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন অধিকার জানিয়েছে গত বছর অন্তত ২৯ জনকে আটক করা হয়েছে এই আইনের আওতায়৷ একই ধরনের অভিযোগে গত বছরের মে মাসে বরিশালে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়েছিল কবি হেনরি স্বপনকে৷

এডিকে/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, এএফপি, আল জাজিরা)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন