শরণার্থী চুক্তি না মানা একমাত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র | বিশ্ব | DW | 10.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

শরণার্থী চুক্তি না মানা একমাত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বজুড়ে যখন অভিবাসন চুক্তি নিয়ে কথা চলছে, জাতিসংঘ বলছে শরণার্থী চুক্তিও এই মুহূর্তে সমান গুরুত্বপূর্ণ৷ মরক্কোর ম্যারাকেশে এই চুক্তির বিরোধিতা করতে পারে একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷

আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভোটের আগে একটি ছাড়া ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের সবাই এই চুক্তিতে সমর্থন জানিয়েছে৷ কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্র এখনো চুক্তির বিষয়ে একমত পোষণ করেনি৷

যুক্তরাষ্ট্র কেবল অভিবাসন চুক্তিই প্রত্যাখ্যান করেনি, শরণার্থী বিষয়ক বৈশ্বিক চুক্তিও অনুমোদন করেনি দেশটি৷ এই প্রস্তাবিত চুক্তি ‘মার্কিন অভিবাসন ও শরণার্থীনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়' বলে মনে করে ট্রাম্প প্রশাসন৷

চুক্তিটি মানতে কোনো আইনী বাধ্যবাধকতা নেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোর৷ পাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনেরও কোনো প্রয়োজন নেই৷ কিন্তু জাতিসংঘ বলছে, এই চুক্তিতে এমন কিছু নীতিমালা রয়েছে, যা বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই শরণার্থী সংকট মোকাবেলার মাধ্যমে প্রাণহানি রোধ করতে পারবে৷ তবে এর সর্বোচ্চ ফল পেতে প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন৷

ট্রাম্প-ইফেক্ট

শরণার্থী সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি বিশ্বজুড়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন বার্লিনভিত্তিক শরণার্থী বিশ্লেষক মার্টিন এঙ্গলার৷

তিনি বলেন, ‘‘ট্রাম্প প্রশাসন পুনর্বাসিত অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে এনেছে৷ এ ধারা ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলেই মনে হচ্ছে৷ তবে ট্রাম্প প্রশাসন এবং ট্রাম্প নিজে বিশ্বজুড়ে এ বিষয়ক যে নীতির প্রচার করছেন, সেটিই সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়৷ অনেক সরকার এখন তাঁর অবস্থানকে উদাহরণ হিসেবে দেখতে শুরু করেছে৷''

জাতিসংঘের অভিবাসন চুক্তিতে অর্থনৈতিক অভিবাসীদের ব্যাপারে বিশ্বজুড়েএকটি নির্দিষ্ট মান বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে৷ তবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাজনীতিবিদরা এর বিরোধিতায় সরব হয়েছেন৷

বিরোধীদের অভিযোগ, এই চুক্তির ফলে কোনো রাষ্ট্রের নিজস্ব আইন পালটে নিয়ন্ত্রণহীন অভিবাসনের পথ উন্মুক্ত করে দিতে হবে৷ চুক্তির খসড়ায় অবশ্য স্পষ্ট করেই বলা আছে, প্রতিটি দেশ নিজেদের অভিবাসন নীতি নির্ধারণ করবে৷

অন্যদিকে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত শরণার্থী চুক্তিতে তুলে ধরা হয়েছে যুদ্ধ ও নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে যাঁরা সীমেন্ত পাড়ি দিচ্ছেন, তাঁদের কথা৷ এই চুক্তির মূল লক্ষ্য, শরণার্থীদের জীবনমানের উন্নয়ন, গ্রহীতা রাষ্ট্রের সহায়তা এবং শরণার্থীদের নিরাপদে ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার ব্যবস্থা করা৷

২০১৫ সালে শরণার্থী সংকট তীব্র আকার ধারণ করার পর থেকে এই চুক্তির কাজ শুরু হয়৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সে বছরই সবচেয়ে বড় শরণার্থীর ঢল নামে৷ ২০১৫ ও ২০১৬- এই দুই বছরে ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থীকে আশ্রয় নিতে সংকট মোকাবেলায় অগ্রণী ভূমিকা রাখে জার্মানি৷ তবে এ বিষয়ে মতানৈক্য দেখা দেয় দেশটিতে, উত্থান ঘটে বিদেশিবিদ্বেষের৷

আনিয়া ক্যুপার্স-ম্যাককিনোন/এডিকে

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন