শরণার্থীদের বন্ধু এক জার্মান নাগরিকের কথা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 02.07.2015
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

শরণার্থীদের বন্ধু এক জার্মান নাগরিকের কথা

জার্মানিতে শরণার্থীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে৷ তাদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছে জার্মান সরকার৷ ফলে অনেক সময় শরণার্থীরা থাকার জায়গা পাচ্ছেন না৷

এই অবস্থায় এগিয়ে এসেছেন জার্মান নাগরিক ইয়োনাস কাকোষ্কে৷ তিনি তাঁর নিজের ফ্ল্যাটের একটি ঘরে আফ্রিকার মালি থেকে আসা বাকারি নামের এক শরণার্থীকে থাকতে দিয়েছেন৷ তাঁরা দু'জন এখন ঐ ফ্ল্যাট শেয়ার করে একসঙ্গে থাকছেন৷ বাকারি যে ঘরে থাকেন সেটার ভাড়া জোগাড়ের জন্য কাকোশকে তাঁর বন্ধু-বান্ধবদের দানের উপর নির্ভর করেন৷

বাকারির সঙ্গে বসবাসের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি অন্য শরণার্থীদেরও কীভাবে সহায়তা করা যায় তা নিয়ে ভেবেছেন৷ পরে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন তিনি৷ শরণার্থীদের যাঁরা ফ্ল্যাট শেয়ার করতে দিতে ইচ্ছুক তাঁরা ঐ ওয়েবসাইটে নাম লিপিবদ্ধ করেন৷ পরে কাকোষ্কে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, কিংবা ইচ্ছুক ব্যক্তি যে এলাকায় বসবাস করেন সেখানকার সরকারি অফিসের লোকজন যোগাযোগ করে শরণার্থীদের সঙ্গে ঐ ইচ্ছুক ব্যক্তির কথা বলার সুযোগ করে দেন৷ এভাবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫২ জন শরণার্থীর বাসস্থানের ব্যবস্থা করা গেছে৷

কাকোষ্কে বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় শরণার্থীদের সাধারণত এমন কোনো জায়গায় রাখা হয় যেখানে থেকে শরণার্থীরা সমাজের মূল সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিশতে পারেননা৷ তাছাড়া শরণার্থীদের থাকার জায়গাগুলো আজকাল কট্টর ডানপন্থিদের হামলার শিকার হচ্ছে৷ কাকোষ্কে মনে করেন, একজন মানুষ অবৈধ মানেই যে সে ভালো মানুষ নন, তা নয়৷ জার্মানি সহ ইউরোপে শরণার্থীরা ‘স্বাভাবিক জীবনযাপন' থেকে বঞ্চিত: অর্থ নেই, চাকরি নেই, যেন বিদেশ বিভুঁয়ে আজীবনের জন্য অতিথি৷

মালির শরণার্থী বাকারি জানান, কাকোষ্কের সঙ্গে ফ্ল্যাট শেয়ারের আগে তাঁর কোনো স্থায়ী থাকার জায়গা ছিল না৷ জার্মান একজন নাগরিক যে এভাবে তাঁকে থাকতে দেবেন, সেটা তিনি কখনো ভাবেননি৷ তবে এখন তিনি কাকোষ্কের সঙ্গে একসঙ্গে রান্না করেন, খাওয়া দাওয়া করেন, এমনকি কখনও কখনও একসঙ্গে ঘুরতেও বের হন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন