শরণার্থীদের পরিবার আনার সংখ্যা নির্দিষ্ট করলো জার্মানি | বিশ্ব | DW | 02.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

শরণার্থীদের পরিবার আনার সংখ্যা নির্দিষ্ট করলো জার্মানি

আগামী আগস্ট মাস থেকে জার্মানিতে বসবাসরত ‘সাবসিডিয়ারি’ শরণার্থীরা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জার্মানিতে নিয়ে আসার সুযোগ পাবেন৷ তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে৷

বৃহস্পতিবার জার্মান সংসদে বিষয়টি নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্কের পর একটি ভোট অনুষ্ঠিত হয়৷ শরণার্থীদের সুযোগ দেয়ার পক্ষে ভোট পড়ে ৩৭৬টি৷ আর বিপক্ষ ভোটের সংখ্যা ছিল ২৯৮৷

উল্লেখ্য, সাবসিডিয়ারি স্ট্যাটাসের শরণার্থীরা রাজনৈতিক বা যুদ্ধ শরণার্থী বলে বিবেচিত হন না৷ নিরাপত্তা ইস্যু বিবেচনা করে তাঁদের সাময়িকভাবে জার্মানিতে থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছে৷

২০১৬ সালের মার্চে প্রণীত এক আইনের মাধ্যমে সাবসিডিয়ারি শরণার্থীদের পরিবারের সদস্যদের জার্মানিতে  নিয়ে আসার সুযোগ বন্ধ করা হয়েছিল৷

এর মাধ্যমে জার্মানিতে শরণার্থী আসার সংখ্যায় কিছুটা রাশ টানার চেষ্টা করা হয়েছিল৷

তবে শরণার্থীদের আবারও সেই সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে মঙ্গলবার জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সিডিইউ ও সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি দলের মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে৷ কারণ, দল দু'টি আবারও জোট সরকার গঠন করার ব্যাপারে আলোচনা চালাচ্ছে

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের পর থেকে জার্মানিতে দশ লক্ষেরও বেশি আশ্রয়প্রার্থী এসেছে৷ তবে এত শরণার্থীকে জার্মানিতে প্রবেশ করতে দেয়ায় বিতর্কের মুখে পড়েছিল ম্যার্কেলের সরকার৷

শরণার্থী বিরোধী দল ‘জার্মানির জন্য বিকল্প’ বা এএফডি ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতির সমালোচনা করে সংসদ নির্বাচনে ভালো ফল করেছে৷

এদিকে, জোট সরকার গঠনে আলোচনারত সিডিইউ ও এসপিডি দলের নেতারা প্রতিবছর দুই লক্ষ শরণার্থীকে জার্মানিতে আসতে দেয়ার সুযোগ দিতে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন৷

সাবসিডিয়ারি শরণার্থীদের পরিবারের সদস্যদের জার্মানিতে নিয়ে আসার বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল৷ এখন সিডিইউ ও এসপিডি দলের মধ্যে এ ব্যাপারে ঐকমত্য হওয়ায় জার্মানি একটি সরকার পেতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ সেটি সম্ভব হলে চতুর্থবারের মতো জার্মান চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব নেবেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷

শরণার্থীদের সহায়তা দেয় এমন সংগঠন ‘প্রো অ্যাসাইল’ নতুন এই আইনের সমালোচনা করে বলেছে, এই আইন ‘সম্পূর্ণ অপর্যাপ্ত’৷ একে তারা সিডিইউ'র ‘কট্টরপন্থি’ সহযোগী সংগঠন সিএসইউ'র জয় বলে উল্লেখ করেছে৷

তবে জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়ের বলছেন, ‘‘এটি মানবতা ও দায়িত্বের মাঝে... উদারতা ও বাস্তবতার মধ্যে একটি আপোস৷’’

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন