শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করে ইতিহাস গড়লেন দুই নারী | বিশ্ব | DW | 02.01.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করে ইতিহাস গড়লেন দুই নারী

দক্ষিণ ভারতের শবরীমালা মন্দিরে প্রথমবার প্রবেশ করে ইতিহাস গড়েছেন ভারতের দুই নারী৷ আদালত ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সি নারীদের প্রবেশের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পর বুধবার প্রথম এই ঘটনা ঘটল৷

 কেরালা রাজ্যের এই মন্দিরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ভক্ত ও নারী অধিকার কর্মীদের মধ্যে বিরোধ চলছে৷তবে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও অধিকার কর্মীরা মন্দিরে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হন৷ এদিকে, এই নারীদের প্রবেশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ভারতের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিজেপি এবং কংগ্রেস৷

ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ভোরের আগেই পাহাড়ের উপরে অবস্থিত মন্দিরে প্রবেশ করেন ঐ দুই নারী৷ তাঁদের একজন স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, ‘‘আমরা সিঁড়ি দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করিনি৷ কর্মচারীরা যে গেট ব্যবহার করেন, সেদিক দিয়ে ঢুকেছি৷''

সুপ্রিম কোর্ট ঋতুমতী নারীদের ঐ মন্দিরে প্রবেশের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর৷ চার মাস কেটে যাওয়ার পরও ঋতুমতী কোনো নারী এর আগে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেননি৷

কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেছেন, ‘‘দুই জন নারী মন্দিরে প্রবেশ করেছেন৷ কেউ যদি ঐ মন্দিরে যেতে চান, তবে পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাবে৷''

মন্দিরের এক মুখপাত্র জানান, মন্দিরের পুরোহিতরাও ঐ দুই নারীর প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন৷ তবে ঐ নারীরা বেরিয়ে যাওয়ার পর পুরোহিতরা মন্দির ধুয়ে ‘শুদ্ধ' করেছেন বলেও জানান তিনি৷

স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, বিশুদ্ধিকরণের জন্য বেশ কিছু সময় মন্দিরের দরজা বন্ধ রেখেছিলেন প্রধান পুরোহিত৷

গত বছরের অক্টোবরে মন্দিরে ঋতুমতী নারীদের প্রবেশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিলেন হাজারো ভক্ত৷ পুলিশের সাথে এক পর্যায়ে তাদের সংঘর্ষ হয় এবং দুই হাজারেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়৷

মঙ্গলবার বছরের প্রথম দিনে লাখো নারী কেরালায় মানববন্ধন করেছিলেন  শবরীমালা মন্দিরে তাঁদের প্রবেশাধিকারের দাবিতে৷ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আপিলের শুনানি শুরু হবে ২২ জানুয়ারি৷

অনেক কট্টরপন্থি হিন্দু দল, এমনকি নরেন্দ্র মোদীর দল বিজেপিও কোর্টের আদেশের বিরোধিতা করেছে৷ তারা মনে করে, আদালত তাদের বিশ্বাসকে উপেক্ষা করে রায় দিয়েছেন৷

এপিবি/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়