শতাব্দী ধরে মনমাতানো সুগন্ধী | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 13.02.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

শতাব্দী ধরে মনমাতানো সুগন্ধী

পারফিউম – কার না পছন্দ? কার নেই নিজস্ব পছন্দের সুগন্ধী? প্রতি বছর হাজার পারফিউম বাজারে আসছে৷ কিন্তু হাতে গোনা মাত্র কয়েকটিই শুধু সবাই মনে রাখছে৷

default

পারফিউমের একটি বোতল

পারফিউম ব্যবহার রীতি হাজার হাজার বছর পুরনো৷ পুরুষকে আকৃষ্ট করতে মহিলাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে মিষ্টি সুবাসের সুগন্ধী আর মহিলাদের আকৃষ্ট করতে পুরষদের জন্য তৈরি হয়েছে তেজস্বী সুগন্ধী৷

মিশরীয় সভ্যতায় আমরা সুগন্ধীর ব্যবহার প্রথম দেখি৷ এরপর বিজ্ঞান এই তরল পদার্থ নিয়ে গবেষণা বন্ধ রাখেনি ৷

তবে উনবিংশ শতাব্দীতে পারফিউম বা সুগন্ধী নেয় নতুন এক মোড়৷ নামী-দামী সব সুগন্ধী বাজারে আসতে থাকে৷ পারফিউম হয়ে ওঠে স্ট্যাটাস সিম্বল৷ তবে কয়েকশ বছরের পুরনো একটি পারফিউম এখনো বাজারে টিকে আছে গর্বের সঙ্গেই৷ সেটা হল ‘৪৭১১' ইংরেজিতে ‘ফোর সেভেন ওয়ান ওয়ান', এক কথায় ‘ওডিকোলোন'৷ পুরুষ এবং নারী দুজনেই ব্যবহার করতে পারে এই সুগন্ধী৷ কবে প্রথম বাজারে আসে এই সুগন্ধী? ১৭৭২ সালে৷ এর পাশাপাশি আরো বেশ কিছু পারফিউম টিঁকে রয়েছে কয়েক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে৷

১৮৬২ সালে বাজারে আসে ক্রিডের ‘ফ্যানটাসিয়া দ্য ফ্ল'র'৷ পিছিয়ে থাকতে রাজি নয় গের্লাঁ৷ বাজারে চলে আসে ‘জিকি'৷ ১৯১২ সালের ‘ল্য'র ব্লো', ১৯১৯ সালে ‘মিটসুকো' এবং ১৯২৫ সালে গের্লাঁর আরেক চমক ‘শালিমার'৷

সত্তর আর আশির দশকে বাজারে আসে অত্যাধুনিক পারফিউম৷ ঠিক কী কারণে যেন ধরে নেওয়া হয়, ফরাসী সৌরভই সেরা! আর ফরাসীরাও ব্যস্ত হয়ে পড়ে নাম এবং সুনাম ধরে রাখতে৷ এর ফলশ্রুতিতে বাজার ছেয়ে গেছে ইভ সঁ লোরঁ, শানেল, ক্যাশারেল, ল্যানকোম, জঁ পল গোতিয়ের আর লা'রশ-এ৷

শুধু তরল সুগন্ধী তৈরি করেই ডিজাইনারনা ক্ষান্ত হননি৷ বোতলেও এনেছেন আধুনিকতা৷ বোতল দেখেই ইদানিং বোঝা যায় কোন সুগন্ধী পুরুষের আর কোনটি মহিলার৷ আর যারা নিয়মিত পারফিউম ব্যবহার করেন, তারা পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে গেলে পেছনে রেখে যান এক ঝাঁক সৌরভ৷ সেটা হতে পারে আনাইস-আনাইস, ওপিয়াম, রিভ্ গোশ্ বা অবসেশন৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সংশ্লিষ্ট বিষয়