শততম টেস্টকে জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখল বাংলাদেশ | বিশ্ব | DW | 19.03.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ক্রিকেট

শততম টেস্টকে জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখল বাংলাদেশ

আউট হয়ে গেলেন সাকিব৷ প্রথম ইনিংসের মতো এবার আর ত্রাণকর্তা হতে পারেননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার৷ তবে মুশফিক তখনো ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক হয়ে৷ সুবাদে শ্রীলঙ্কাকে চার উইকেটে হারিয়ে শততম টেস্টকে স্মরণীয় করে রেখেছে বাংলাদেশ৷

দু'দিন আগে, অর্থাৎ এ ম্যাচের তৃতীয় দিনে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার সাকিব আর মুশফিকের ব্যাটে ভর করেই ম্যাচে ফিরেছিল বাংলাদেশ৷ শ্রীলঙ্কার ৩৩৮ রানের প্রথম ইনিংসটাকে চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব হয়েছিল তাঁদের কারণেই৷ মুশফিক ৫২ রানে আউট হলেও সাকিব পেয়েছিলেন অষ্টম টেস্ট সেঞ্চুরি৷ তাঁর ১১৫ রানের ইনিংসের সঙ্গে এই ম্যাচেই টেস্টঅভিষিক্ত মোসাদ্দেক হোসেনের তাক লাগানো ৭৫ রানের ঝকঝকে একটি ইনিংস যোগ হওয়ায় ৪৬৭ রানে ইনিংস শেষ করে ১২৯ রানের লিডও পেয়েছিল বাংলাদেশ৷ বলা যায়, ওই ১২৯ রানই গড়ে দিয়েছে ব্যবধান৷ নইলে আবার টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ানো শ্রীলঙ্কা ৩১৯ রান করেই কিন্তু জমিয়ে দিয়েছিল ম্যাচ৷ ১৯১ রানের জয়ের লক্ষ্য আপাত দৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও, হেরাথ এবং পেরেরার ঘূর্ণি বলে জয়ের হাতছানি কিন্তু স্বাগতিকরাও দেখতে শুরু করেছিল৷

তাঁদের সে স্বপ্ন চুরমার করে শততম টেস্টে বাংলাদেশকে ঐতিহাসিক এক জয় এনে দেয়ায় সবচেয়ে বড় অবদান তামিম ইকবালের৷ বাঁ হাতি ওপেনার ১২৫ বলে ৭টি চার ও একটি ছক্কার সহায়তায় ৮২ রান করে জয়টাকে একেবারে ধরা-ছোঁয়া দূরত্বে নিয়ে এসেছিলেন৷ সাব্বিরে সঙ্গে তাঁর ১০৯ রানের জুটি গড়ে ওঠায় বাংলাদেশের স্কোর তখন ২ উইকেটে ১৩১৷

একটু রয়েসয়ে খেললেই নিজের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়টা অনায়াসে হয়ে যায়৷ কিন্তু তামিম আবার দেখালেন, অসাধারণ সব শট খেলে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়ে আত্মঘাতী হওয়ায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার৷ পেরেরাকে ছক্কা মারতে গিয়ে বল তুলে দিলেন চান্ডিমালের হাতে৷ বাংলাদেশের অনেক সমর্থকের মনেই তখন ২০১২ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালের স্মৃতি উঁকি দিতে শুরু করেছে৷ সেবার এভাবেই উমর গুলকে উইকেট উপহার দিয়ে ফিরে এসেছিলেন তামিম৷ মাত্র ২ রানে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ায় এশিয়া কাপ জিতেছিল পাকিস্তান৷

কিন্তু এবার সেরকম হয়নি৷ সাব্বির রহমানের ৪১, সাকিব আল-হাসানের ১৫, মোসাদ্দেকের ১৩ এবং অধিনায়ক মুশফিকের হার-না-মানা ২২ রানের সুবাদে ছয় উইকেট হারিয়েই ১৯১ রান করে ফেলেছে বাংলাদেশ৷ উইনিং স্ট্রোকটা অবশ্য মুশফিক খেলতে পারেননি৷ সেই সৌভাগ্য মেহেদি হাসান মিরাজের৷ ডান হাতি এই অফব্রেক বোলিং অলরাউন্ডার শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক হেরাথের ফুলটসে সুইপ করে বল শর্ট ফাইন লেগ দিয়ে সীমানার দিকে পাঠিয়েই দৌড়ে নিয়ে নেন দুই রান৷ তারপর শুরু শততম টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফেরানোর উল্লাস৷ ঐতিহাসিক এই সিরিজে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছেন সাকিব আল-হাসান৷তবে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তামিম ইকবাল৷

৮২ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেছেন তামিম ইকবাল

তামিম ইকবাল


এসিবি/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন