লিবিয়া পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার আহ্বান, সাহায্য পাঠালো ইটালি | বিশ্ব | DW | 07.03.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

লিবিয়া পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার আহ্বান, সাহায্য পাঠালো ইটালি

লিবিয়ার পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে৷ সরকারি বাহিনী হামলা চালাচ্ছে বিদ্রোহীদের ওপর৷ জাতিসংঘ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ঘটনা পর্যবেক্ষণে দল পাঠানো হচ্ছে৷

default

বেনগাজিতে বিদ্রোহীদের হাতে বন্দি ব্রিটিশ স্পেশাল ফোর্সকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে৷ সে প্রসঙ্গে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ বলেন, ‘‘আমি জানাচ্ছি, বেনগাজিতে একটি ছোট কূটনৈতিক দল অবস্থান করছে৷ আমরা তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি৷ এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়৷''

তিনি আরো জানান, লিবিয়ার বিদ্রোহীদের সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ হয়েছে৷ আমি কয়েকদিন আগেই কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলেছি৷ গাদ্দাফি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এখনো আমাদের যোগাযোগ রয়েছে৷ আমরা বেশ পরিস্কারভাবেই জানিয়েছি, লিবিয়াতে যা হচ্ছে তা নিয়ে আমরা চিন্তিত, উদ্বিগ্ন৷ এসব কারণে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করতে বাধ্য হয়েছি৷

Flash-Galerie Rebellen in Libyen

বিদ্রোহীদের হাতেও এখন ভারী অস্ত্র

লিবিয়ার তেল উত্তোলনকারী শহর রাস লানুফে সরকারি বাহিনী চেষ্টা করছে বিদ্রোহীদের ছত্রভঙ্গ করতে৷ ভীত হয়ে মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছে৷ জাতিসংঘ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ঘটনা পর্যবেক্ষণ করতে একটি দল পাঠাচ্ছে৷ বিশেষ করে সাধারণ মানুষদের ওপর হামলা এবং হতাহতদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চায় এই বিশেষ দল৷ সাধারণ মানুষদের ওপর এ ধরণের অমানবিক হামলা গোটা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে৷

বিদ্রোহীরা জাতিসংঘের কাছে সাহায্য চেয়েছে৷ গাদ্দাফিকে সাহায্য করতে আফ্রিকার দেশ থেকে ভাড়া করা জঙ্গী প্রবেশ করেছে লিবিয়াতে৷ জানা গেছে, গাদ্দাফির অনুগত সেনারা বিন জাওয়াদ থেকে রাস লানুফের দিকে রওয়ানা দিয়েছে৷

বিদ্রোহীরা বিন জাওয়াদ দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়, তারা সরে আসে৷ তারা যখন শহরটি আবারো দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন লিবিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসার আহ্বান জানাচ্ছে দেশের মানুষদের৷ তিনি জাদাল্লাহ আজুস আল-তালহি৷ আশির দশকে তিনি লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন৷ টেলিভিশনে তিনি বেনগাজির বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি বক্তব্য রাখেন৷ তিনি জানান, দু'পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে যদি সমস্যার সমাধান সম্ভব হয় তাহলে সেই দিকে এগিয়ে যাওয়া উচিত৷ যদি তা না করা হয় তাহলে পশ্চিমি বিশ্ব থেকে বিদেশিরা এসে আবারো লিবিয়া দখল করে নিতে পারে৷

ইটালির সিসিলি থেকে একটি যুদ্ধ জাহাজ লিবিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে আজ বেনগাজি পৌঁছেছে৷ প্রায় ২৫ টন সাহায্য সামগ্রী বহন করছে জাহাজটি৷ এর মধ্যে জেনারেটর, তাঁবু, কম্বল, ওষুধ-পত্র, চাল, দুধ এবং খাবার পানি রয়েছে৷ সাহায্য সামগ্রী খালাস হলেই জাহাজটি ফিরে যাবে সিসিলিতে৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও