লিবিয়ায় বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা: জাতিসংঘ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 14.04.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

লিবিয়া

লিবিয়ায় বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা: জাতিসংঘ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত রাজধানী ত্রিপোলি দখলের লড়াইয়ে অন্তত ১২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন৷ সহিংসতা যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ শুরুর শঙ্কা করছে সংস্থাটি৷

ত্রিপোলি দখলের লড়াই ক্রমে গৃহযুদ্ধের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ

ত্রিপোলি দখলের লড়াই ক্রমে গৃহযুদ্ধের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ

এক টুইটে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কমান্ডার খলিফা হাফতার এ মাসের শুরুতে ত্রিপোলি আক্রমণ শুরু করার পর কমপক্ষে ৫৬১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন৷ বর্তমানে লিবিয়ার দখলে রয়েছে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার৷

৫ এপ্রিল আক্রমণ শুরুর পর থেকে স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ও যানবাহনও হাফতারের বাহিনীর ‘আক্রমণের' শিকার হয়েছে বলেও অপর একটি টুইটে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷

এ সপ্তাহের শুরুতেই জাতিসংঘ জানিয়েছিল, সংঘর্ষের ফলে আট হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যূত হয়েছেন৷

আইনের শাসন ‘আসছেই না'

হাফতারের লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) ত্রিপোলিতে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের ওপর এ আক্রমণ শুরু করে৷ ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে দেশটিতে গৃহযুদ্ধাবস্থা চলে আসছে৷ ত্রিপোলির নিয়ন্ত্রণে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার থাকলেও পূর্বাঞ্চল রয়েছে বিদ্রোহীদের দখলে৷

পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি ক্রমেই ২০১১ সালের মতো হয়ে উঠছে৷

২০১১ সালে গাদ্দাফির সরকার বিরোধীদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন শুরু করেন৷ তখন থেকেই অস্থিতিশীল লিবিয়ার পরিস্থিতি৷ ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহীরা শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা দখল করে এবং গাদ্দাফিকে হত্যা করে৷ কিন্তু তখন থেকে ত্রিপোলির ক্ষমতার লড়াইয়ে রয়েছে বিভিন্ন বিবদমান পক্ষ৷

গত বছর ত্রিপোলির ফায়েজ আল-সারাজের সরকার, হাফতার ও অন্য বেশকিছু বিদ্রোহী পক্ষের মধ্যে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা হয়৷ ২০১৯ সালের শেষের দিকে সাধারণ নির্বাচনে রাজি হয় সব পক্ষ৷

কিন্তু এবার হাফতার বলছেন, ত্রিপোলি সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থতায় তিনি হতাশ৷ এদিকে, হাফতারের বিরুদ্ধে ‘চুক্তিভঙ্গের' অভিযোগ এনেছে জাতিসংঘ-সমর্থিত ত্রিপোলি সরকার৷

১৯৬৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে গাদ্দাফিকে সহায়তা করেছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা খলিফা হাফতার৷ কিন্তু পরবর্তীতে গাদ্দাফির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব সৃষ্টি হয়৷ ২০১১ সালের গৃহযুদ্ধে গাদ্দাফির সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে হাফতার ও তাঁর বাহিনী ছিল সামনের সারিতে৷

এডিকে/ (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন