লিবিয়ায় ন্যাটোর অভিযানে ধীরগতির অভিযোগ | বিশ্ব | DW | 06.04.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

লিবিয়ায় ন্যাটোর অভিযানে ধীরগতির অভিযোগ

লিবিয়ায় ন্যাটোর অভিযানে ধীরগতির সমালোচনা করলেন সেদেশের বিরোধী নেতা৷ ন্যাটো অবশ্য জানিয়েছে, বেসামরিক প্রাণহানি রক্ষায় কিছুটা সতর্ক সামরিক জোটটি৷ এদিকে, মুসা কুসার বদলে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছে লিবিয়া৷

default

লিবিয়ার যুদ্ধ অব্যাহত

সরকার বিরোধী বাহিনীর অভিযোগ

লিবিয়ার বিরোধী আন্দোলনের নেতা আব্দেল ফাতাহ ইউনিস দাবি করেছেন, মিসরাতায় গাদ্দাফি বাহিনী যখন মানুষ হত্যা করছে, তখন ন্যাটো নীরব ভূমিকা পালন করছে৷ তিনি জানান, জাতিসংঘের ছাড়পত্র সত্ত্বেও ন্যাটো কিছুই করছে না৷ তাঁর অভিযোগ, মাত্রাতিরিক্ত আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কারণে ন্যাটো যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে ঘন্টার পর ঘণ্টা সময় নিচ্ছে৷ ইউনিসের দাবি, ন্যাটো বেসামরিক প্রাণহানি নিয়ে চিন্তিত, অথচ গাদ্দাফি বাহিনী যে এলাকায় আছে সেখানে কোন বেসামরিক নাগরিক নেই৷ এভাবে আরো সপ্তাহখানেক চলতে থাকলে মিসরাতা বলে কিছু থাকবে না বলে দাবি করেন এই বিরোধী নেতা৷

Libyen Aufständische bei Brega

গাদ্দাফি বাহিনীর হামলায় বিপর্যস্ত বিরোধীরা

ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া

ন্যাটো জানিয়েছে, মিসরাতার যুদ্ধের দিকেই এখন মূল নজর তাদের৷ তবে সামরিক জোটটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক ফন উম বলেছেন, যখন মানুষকে প্রতিরক্ষা বর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন আমরা আক্রমণ করিনা৷ গাদ্দাফি বাহিনী বর্তমানে ভারি অস্ত্রশস্ত্র জনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্যে লুকাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি৷ তাছাড়া বর্তমানে সরকারপন্থী বাহিনী হালকা বাহন নিয়ে যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে৷ মার্ক বলেন, এর অর্থ হচ্ছে তাদের লক্ষ্য করে হামলা না চালালেও একটি প্রভাব সেখানে বিরাজ করছে৷ যেকারণে গাদ্দাফি বাহিনী ভারী অস্ত্র ব্যবহারের সাহস পাচ্ছে না৷ এর আগে ন্যাটো জানায়, বিমান হামলার কারণে ইতিমধ্যে গাদ্দাফির সামরিক শক্তি এক তৃতীয়াংশ কমে গেছে৷

লিবিয়ার নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মুসা কুসা গত সপ্তাহে ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন৷ লিবিয়ার সরকার ঊর্ধ্বতন কূটনীতিক আব্দেলাতি ওবেইদি'কে সেদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেছে৷ অন্যদিকে, গ্রিসের একটি তেল পরিবাহী জাহাজ লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের তোবরুক তেল বন্দরে পৌঁছেছে বলে শোনা যাচ্ছে৷ এই জাহাজটি ১০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যমানের তেল পরিবহনে সক্ষম৷ বিবিসি জানিয়েছে, কাতারের মধ্যস্থতায় লিবিয়ার সরকার বিরোধীরা তেল রপ্তানির এই উদ্যোগ নিয়েছে৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন