লিবিয়ায় থাকা এক বাংলাদেশির পরামর্শ | বিশ্ব | DW | 21.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

লিবিয়া-বাংলাদেশ

লিবিয়ায় থাকা এক বাংলাদেশির পরামর্শ

২০১৮ সালে এক দালালের কথা বিশ্বাস করে লিবিয়া যান মোহাম্মদ স্বপন৷ সেখানে তাঁর জন্য চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং তিনি ডলারে বেতন পাবেন বলে জানানো হয়েছিল৷

এরপর কী হয়েছে, তা তিনি সম্প্রতি জানিয়েছেন থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনকে৷ স্বপন বলেন, লিবিয়ায় যাদের তাঁকে চাকরি দেয়ার কথা ছিল তারাই তাঁকে অপহরণ করেছিল৷ এরপর তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা দেয়ার পর আরেক গ্রুপের হাতে তাঁকে তুলে দেয়া হয় বলে জানান স্বপন৷ শেষ পর্যন্ত ১০ লাখ টাকা খরচ করে মুক্তি পান তিনি৷

এখন একসঙ্গে দু'টি কাজ করছেন স্বপন৷ ফলে ঘুমানোর তেমন একটা সুযোগ পান না তিনি৷ অথচ মাসে আয় করছেন মাত্র ২৭৫ ডলার বা ২৩ হাজার টাকা, যা চেষ্টা করলে বাংলাদেশেই আয় করতে পারতেন তিনি৷

‘‘আর কী করতে পারি আমি? শুধু লিবিয়ায় আসার জন্যই আমি অনেক ঋণ করেছি৷ এখানে না আসার জন্য আমি বাংলাদেশিদের পরামর্শ দিতে চাই৷ আপনি জানেন না, আপনি বাঁচবেন, না মারা যাবেন,'' থমসন রয়টার্সকে বলেন স্বপন৷

তাঁর মতো সাজ্জাদ হোসেনও ছয়মাস আগে ইউরোপে উন্নত জীবন গড়ার আশায় লিবিয়া গিয়েছিলেন৷ লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যেতে চেয়েছিলেন তিনি৷ কিন্তু ধরা পড়ে লিবিয়ার ত্রিপোলির একটি কেন্দ্রে আটক ছিলেন

সম্প্রতি ঐ কেন্দ্রে আকাশ থেকে চালানো বোমা হামলায় ৫০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হন৷ সাজ্জাদসহ আরেক বাংলাদেশি এতে আহত হন৷ তাঁরা এখন জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার কাছে রয়েছেন৷ তাঁদের বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে৷

সাজ্জাদের ভাই একতার মোল্লা বলছেন, ‘‘বিদেশে গিয়ে পরিবারের জন্য অর্থ আয় তাঁর স্বপ্ন ছিল৷ আমরা এখনও জানিনা, আবার কখন সে ঠিকমতো কথা শুনতে ও হাঁটতে পারবে৷''

২০১১ সালে গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়ায় এখনও অস্থিরতা বিরাজ করছে৷ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন পেয়ে একটি সরকার ত্রিপোলির দায়িত্বে রয়েছে৷ তবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ)৷ সাজ্জাদদের কেন্দ্রে হামলার ঘটনা এই যুদ্ধের কারণেই হয়েছে৷

জেডএইচ/ডিজি (থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন