লিবিয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপালো ইউরোপীয় ইউনিয়ন | বিশ্ব | DW | 01.03.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

লিবিয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপালো ইউরোপীয় ইউনিয়ন

লিবিয়ায় সহিংসতার প্রেক্ষিতে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷ বিভিন্ন খাতে সেদেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইইউ৷ তবে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়লেও ক্ষমতা ছাড়তে রাজি নন গাদ্দাফি৷

default

লিবিয়ার বেনগাজিতে সরকারবিরোধীদের সশস্ত্র অবস্থান

লিবিয়ার উপর ইইউ নিষেধাজ্ঞা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন লিবিয়াকে অস্ত্র বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে সম্মত হয়েছে৷ একইসঙ্গে সেদেশের বেশ কয়েকজন গাদ্দাফিপন্থী নেতার উপর ইউরোপে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা ও তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে ইইউ৷ এই প্রসঙ্গে হাঙ্গেরির উন্নয়নমন্ত্রী টমাস ফেলেগি জানিয়েছেন, ভিসা নিষেধাজ্ঞা এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত লিবিয়ার ২৬ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে৷ এরা সেদেশের সাধারণ মানুষের উপর সহিংস দমনপীড়নের সঙ্গে জড়িত৷ নিষেধাজ্ঞার আওতায় গাদ্দাফি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ফেলেগি৷

এছাড়া, জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের বৈঠকে মিলিত হন বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা৷ বৈঠকে লিবিয়ার উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগের উপর জোর আরোপ করা হয়৷

Libyen Tripolis Pro Gaddafi Anhänger Flash-Galerie

ত্রিপোলিতে গাদ্দাফিপন্থীদের অবস্থান

বর্তমান পরিস্থিতি

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি এখনো দখলে রেখেছেন মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফি৷ তবে সেদেশের পূর্বাঞ্চল কার্যত সরকার বিরোধীদের দখলে চলে গেছে৷ ত্রিপোলির পূর্বাঞ্চলের শহর মিসুরাটায় সোমবার সরকার সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধীদের তুমুল সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে৷ ত্রিপোলির কাছের আরেক শহর জাউইয়ার নিয়ন্ত্রণ এখনো ধরে রেখেছে সরকারবিরোধীরা৷ তবে সেখানে যেকোন মুহূর্তে বড় সংঘর্ষ শুরু হতে পারে৷ কেননা, শহরটির চারপাশ ঘরে রেখেছে গাদ্দাফিপন্থী সেনারা৷ এছাড়া আজদাবিয়া এবং রাজমা শহরে লিবিয়ার বিমানবাহিনী হামলা চালিয়েছে শোনা যাচ্ছে৷

‘ভালবাসা'

গাদ্দাফির উল্টো সুর, লিবিয়ার মানুষ নাকি তাঁকে ভালবাসে৷ তাছাড়া ত্রিপোলিতে কোন বিক্ষোভ নেই বলেও দাবি করেছেন, ৪১ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা এই কর্নেল৷ বিবিসিকে গাদ্দাফি জানিয়েছেন, তাঁকে রক্ষায় তাঁর জনগণ প্রাণ দিতেও প্রস্তুত৷ জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুসান রাইস অবশ্য গাদ্দাফির এই মন্তব্যকে ‘মতিভ্রম' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন৷

লিবিয়া ত্যাগ করছে বিদেশিরা

চীন জানিয়েছে, লিবিয়া থেকে ৩০ হাজার চীনা নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে৷ এছাড়া আরো বেশকিছু দেশ তাদের নাগরিকদের লিবিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে৷ সোমবার লিবিয়া থেকে ঢাকায় ফিরেছে শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিক৷ সাড়ে আট হাজার লিবিয়া প্রবাসী অন্য দেশ হয়ে বাংলাদেশে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও খবরে প্রকাশ৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন