লর্ডসে হেরেও জেদ ছাড়েননি জনসন | বিশ্ব | DW | 21.10.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ব্রেক্সিট

লর্ডসে হেরেও জেদ ছাড়েননি জনসন

ব্রিটিশ সংসদের উচ্চ কক্ষ ব্রেক্সিট চুক্তির শর্ত ভেঙে আইনের খসড়ার জোরালো বিরোধিতা করেছে৷ ইইউ মূল্যবান সময় নষ্ট না করে আলোচনায় ফেরার ডাক দিলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছাড়ের দাবিতে অটল রয়েছেন৷

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যখন ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ব্রাসেলসের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে ব্যস্ত, তখনই ব্রিটিশ সংসদের উচ্চ কক্ষ বিপুল ভোটে তাঁর বিতর্কিত আইনের খসড়ার বিরুদ্ধে রায় দিলো৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বিচ্ছেদ চুক্তি ও আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে জনসনের সরকার যে আইনের খসড়া পেশ করেছে, তার তীব্র বিরোধিতা করলেন হাউস অফ লর্ডসের সদস্যরা৷ তবে উচ্চ কক্ষের ক্ষমতা প্রতীকি হওয়ায় আইন কার্যকর হওয়ার পথে কিছুটা বিলম্ব ঘটলেও কোনো বাধা সৃষ্টি করা যাবে না৷ নিম্ন কক্ষ এর আগেই অভ্যন্তরীণ বাজার সংক্রান্ত এই আইনের খসড়া পাস করেছে৷

এদিকে ভবিষ্যৎ বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা বন্ধ থাকায় বোঝাপড়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে৷ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন গত শুক্রবার ইইউ-র মনোভাব সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করার পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে কোনো আলোচনা হয় নি৷ সংলাপের পূর্বশত হিসেবে ব্রিটেন আগেই ছাড়ের দাবি করছে৷ জনসনের দাবি, শুধু ব্রিটেন নয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও আপোশ করতে হবে৷ এমনটা স্বীকার করলেই তিনি আলোচনার জন্য সবুজ সঙ্কেত দেবেন৷ অন্যদিকে ইইউ-র প্রধান মধ্যস্থতাকারী মিশেল বার্নিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট না করে চুক্তির লক্ষ্যে আবার আলোচনা শুরু করার ডাক দিয়েছেন৷ ব্রিটেনের প্রতিনিধি ডেভিড ফ্রস্টের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পর তিনি এই মন্তব্য করেন৷

ইইউ ব্রিটেনের সর্বশেষ দাবি মনে নিতে প্রস্তুত নয়৷ লন্ডনের দাবি মেনে আইনের খসড়া ও সংলাপের কাঠামো নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হলেও ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ ও মাছ ধরার অধিকারের মতো বিষয় উপেক্ষা করছে না ব্রাসেলস৷

১লা জানুয়ারি ব্রেক্সিট পুরোপুরি কার্যকর হবার পর অন্যান্য দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্তরে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুবিধা বার বার তুলে ধরেছে জনসনের সরকার৷ মঙ্গলবার সেই লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পঞ্চম দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়েছে৷ দুই পক্ষই বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা সম্পর্কে আশাবাদ প্রকাশ করেছে৷ কোনো সময়সীমা স্থির না হলেও ব্রিটেন দ্রুত বোঝাপড়ার আশা করছে৷ মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইটহাইজার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনায় যোগ দিয়ে বলেন, প্রায় ৩০টি দল লাগাতার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে৷ উল্লেখ্য, খাদ্যপণ্যের মান ও ব্রিটেনের স্বাস্থ্য পরিষেবা কাঠামোয় অংশগ্রহণ সম্পর্কে ব্রিটেনে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে৷ অন্যদিকে জনসন সরকারের বিতর্কিত আইনের খসড়ার কারণে উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি বিপন্ন হলে দলমতনির্বিশেষে ব্রিটেনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতা জোরালো হয়ে উঠবে বলে আগাম পূর্বাভাষ পাওয়া যাচ্ছে৷

এসবি/কেএম (এএফপি, রয়টার্স)

গতবছরের জুলাইয়ের ছবিঘরটি দেখুন...

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন