রোহিঙ্গা মামলার শুনানিতে সু চির বদলে মন্ত্রী | বিশ্ব | DW | 21.02.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

নেদারল্যান্ডস

রোহিঙ্গা মামলার শুনানিতে সু চির বদলে মন্ত্রী

ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)-তে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে গাম্বিয়া৷ ২০১৯ সালে এর শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন অং সান সু চি৷ তবে সোমবার থাকছেন না তিনি৷ তার বদলে থাকবেন বর্তমান আন্তর্জাতিক সহায়তা মন্ত্রী৷

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মামলায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে৷ ৫৭ জাতির জোট ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন' ওআইসি মামলাটি করতে গাম্বিয়াকে সহায়তা করেছিল৷ 

Niederlande Den Haag | Europäischer Gerichtshof

ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)

নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরের পিস প্যালেসে ২০১৯ সালের ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর মামলার প্রথম শুনানি হয়েছিল৷ এতে গাম্বিয়ার নেতৃত্বে ছিলেন সে দেশের বিচারমন্ত্রী আবু বকর মারি তামবাদু আর মিয়ানমারের নেতৃত্বে ছিলেন অং সান সুচি৷ শুনানিতে অংশ নিয়ে সামরিক কর্মকর্তাদের পক্ষ নিয়ে সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি৷ সেই কর্মকর্তারাই গতবছর অভ্যুত্থানের পর সু চিকে গৃহবন্দি করেন৷

এদিকে, সোমবার মামলার আরেক শুনানিতে অংশ নিচ্ছে মিয়ানমার৷ এবার তারা বলার চেষ্টা করবে যে, এই মামলা পরিচালনার এখতিয়ার আইসিজের নেই৷ মিয়ানমারের পক্ষে এবার অংশ নেবেন আন্তর্জাতিক সহায়তা মন্ত্রী কো কো লায়িং ও অ্যাটর্নি জেনারেল থিদা৷ তারা শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন৷ অভ্যুত্থানের পর এই দুজনের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র৷ 

বুধবার গাম্বিয়া পালটা যুক্তি দেয়ার সুযোগ পাবে৷

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা মামলায় গাম্বিয়াকে সহায়তা করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিল ক্যানাডা ও নেদারল্যান্ডস৷ সেই সময় এক যৌথ বিবৃতিতে ক্যানাডা ও নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানিয়েছিলেন, দুই দেশ এখন ‘গণহত্যা সংক্রান্ত অপরাধ থামাতে এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে' জেনোসাইড কনভেনশন পর্যালোচনা করছে৷

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিবাদ মেটাতে আইসিজে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল৷ এই আদালতের রায় মানা বাধ্যতামূলক, তবে এটা কার্যকর করার মতো বাস্তব ব্যবস্থা আদালতের নেই৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়