রোহিঙ্গাদের ফেরাতে উদ্যোগী হোন, মিয়ানমারকে জাতিসংঘ | বিশ্ব | DW | 24.07.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা সংকট

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে উদ্যোগী হোন, মিয়ানমারকে জাতিসংঘ

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফেরাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে মিয়ানমারকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ৷ দেশটিতে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় মাথা উঁচু করে ফেরার পথ সুগম করারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি৷

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারেও সদস্যদের একমত হওয়ার কথা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি৷

পাশাপাশি রাখাইন রাজ্যে মানবাধিকার লংঘনের যে অভিযোগ উঠেছে, তার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তেও জোর দিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ৷

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা পরিষদকে ব্রিফ করেন জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রানার বুর্গেনার৷ সংকট মোকাবিলায় বিশেষ দূতের বিভিন্ন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে নিরাপত্তা পরিষদ৷ পাশাপাশি, এই সংকট মোকাবিলায় মিয়ানমারকে জাতিসংঘের সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বানও জানায় নিরাপত্তা পরিষদ৷

জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন গত দুই মাসে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য ও বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখেছেন৷ এ বিষয়ে আগামী মাসে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করতে পারেন তিনি৷

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সহকারী হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধিসহ বেশ কয়েকজন রুদ্ধদ্বার এ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন৷

রোহিঙ্গা সংকটে বরাবরই আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমেই এ সংকটের সমাধান খুঁজে আসছে বাংলাদেশ৷

সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা বিতাড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) চিঠির জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ৷ অথচ মিয়ানমার সেই চিঠি গ্রহণই করেনি৷

এর আগে জুলাইয়ের শুরুতে বাংলাদেশের কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করে গেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম৷ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কাছে মিয়ানমার সেনাদের নিষ্ঠুর নিপীড়নের বর্ণনা শোনেন তাঁরা৷

ইউএনবি জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও বসবাসের সুযোগ-সুবিধা দেখতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর আগামী মাসের ৮ তারিখে মিয়ানমার যাওয়ার কথা রয়েছে৷

এডিকে/জেডএইচ (ইউএনবি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন