রোহিঙ্গাদের ওপর ‘গণহত্যা′ স্বীকার করলো যুক্তরাষ্ট্র | বিশ্ব | DW | 21.03.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

রোহিঙ্গাদের ওপর ‘গণহত্যা' স্বীকার করলো যুক্তরাষ্ট্র

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর ওপর চালানো নিপীড়নকে প্রথমবারের মত ‘জোনোসাইড' হিসেবে বর্ণনা করল যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন প্রশাসন৷

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ‘প্রমাণ পেয়েছে' ওয়াশিংটন সিএনএনকে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা৷

সোমবার ওয়াশিংটন ডিসির ইউএস হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়ামে এক অনুষ্ঠানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই আনুষ্ঠানিক অবস্থানের ঘোষণা দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন৷

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার বিষয়ে বাইডেন প্রশাসন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে - এই খবর প্রথম প্রকাশ করে রয়টার্স৷মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্মমতা চালানো হয়েছে, জাতিসংঘ তাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞ বলে আসছিল শুরু থেকেই৷ তবে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের সেইসব ঘটনাকে ‘জেনোসাইড' বলতে দ্বিধায় ছিল যুক্তরাষ্ট্র৷

২০১৭ সালের অগাস্টে মিয়ানমারের দক্ষিণপশ্চিমে মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর ব্যাপক দমন-পীড়ন শুরু হলে প্রায় ১০ লাখ মানুষ সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়৷ ওই ঘটনায় মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনার প্রস্তাব করে জাতিসংঘ৷

রোববার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও ডেমক্রেট দলীয় সিনেটর জেফ মার্কলে বলেন, "রোহিঙ্গাদের ওপর পরিচালিত বর্বরতাকে বাইডেন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় আমি তাদের প্রশংসা করছি৷ এ  ঘোষণাটি দীর্ঘ প্রতিক্ষিত হলেও শেষ পর্যন্ত তা এসেছে এবং এই নিষ্ঠুর শাসকগোষ্ঠীকে জবাবদিহির আওতায় আনতে এটা একটি শক্তিশালী ও বিশেষভাবে গুরুত্ববহ পদক্ষেপ৷”

"আমেরিকাকে অবশ্যই এক্ষেত্রে বিশ্বের সামনে নেতৃত্বে আসতে হবে এটা স্পষ্ট করার জন্য যে এ ধরনের নৃশংসতা কখনোই মেনে নেওয়া হবে না, ধামাচাপা পড়ে যাবে না, সেটা যেখানেই ঘটুক না কেন৷”একথা বলেন ওরেগনের এই সিনেটর৷

২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের উত্তরের রাখাইন রাজ্যে "ভয়ানকভাবে, বিস্তৃতভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সেখানকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করেছে এবং রোহিঙ্গাদের আবাস থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে৷”

মানবাধিক লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত হিসেবে মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মিন অং হ্লা্য়িংসহ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়