রোহিঙ্গাদের উপর বল প্রয়োগ বন্ধ করার আহ্বান | বিশ্ব | DW | 07.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

রোহিঙ্গা সংকট

রোহিঙ্গাদের উপর বল প্রয়োগ বন্ধ করার আহ্বান

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর বলপ্রয়োগ বন্ধ করতে সেদেশের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ৷ পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি৷

সোমবার র ১৫ সদস্য সর্বসম্মতভাবে একটি বিবৃতি দেয়৷ সেখানে বলা হয়, ‘রাখাইনের উত্তরাঞ্চলেরোহিঙ্গা শিশু, নারী, পুরুষদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে৷'এছাড়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া, নারীদের ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানানো হয় ঐ বিবৃতিতে৷ এতে নিন্দা জানানো হয় রাজ্যজুড়ে এই ভয়াবহ সহিংসতার৷ সেইসাথে অবিলম্বে এই সহিংসতা বন্ধের জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে৷

রাখাইন রাজ্যে যাতে সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগবন্ধ করা হয়, মিয়ানমার সরকারের প্রতি সেই আহ্বান জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ৷ রাখাইনে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি৷ এছাড়া রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে মিয়ানমার সরকারের প্রতি৷

তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের দূত হাও ডো সুয়ান বলেছেন, ‘‘এই বিবৃতির মাধ্যমে তার দেশকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে৷'' ভুয়া তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তার দেশের নিরাপত্তাবাহিনী ও সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি৷

রোহিঙ্গা সংকটের অবসানে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব পাসের উদ্যোগ নিলেও মিয়ানমারের দুই মিত্র দেশ ভেটো ক্ষমতার অধিকারী রাশিয়া ও চীনের কারণে তা শেষ পর্যন্ত বাদ দেওয়া হয়৷ জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ৩০ দিন পর মিয়ানমারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন দিতে বলেছে নিরাপত্তা পরিষদ৷

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন অভিযান শুরুর পর গত ২৫শে আগস্ট থেকে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে৷ রোহিঙ্গাদের উপর সহিংসতাকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান' হিসেবে চিহ্নিত করে এর সমালোচনা করে আসছে জাতিসংঘ৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়